ঈশ্বরদীতে মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল কর্মী সচীন বিশ্বাস সাজুকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাহাপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রাসেল হোসেনকে আসামী করার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর ব্যানারে বিক্ষোভ ও ঝাড়– মিছিল হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার সাহাপুর জিগাতলা এলাকা থেকে এলাবাসীর ব্যানারে ঝাড়– নিয়ে এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রূপপুরের দিকে যাচ্ছিল। মিছিলটি নতুন রূপপুর কড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে রূপপুর স্কুলের বাউন্ডারি মধ্যে আগে থেকে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা আচমকা মিছিলে গুলিবর্ষন করে। এসময় ওই এলাকার দোকানপাট বন্ধ করে ব্যবসায়ীদের ছুটাছুটি করতে দেখা যায়। পর পর ৮ থেকে ১০ রাউন্ড গুলিবর্ষনে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এসময় মিছিলে থাকা শারিরিক প্রতিবন্ধী সজল প্রামানিককে পিটিয়ে আহত করে মিছিল প্রতিহতকারি দুর্বৃত্ত্বরা। 

এক পর্যায়ে মিছিলে হামলা করার অভিযোগে এলাবাসী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানভির হাসান সুমনের বাড়ি ও অফিসে হামলা ও ভাংচুর করে। রাস্তার পাশে থাকা দুটি মোটর সাইকেলে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয় দুবর্ৃৃত্ত্বরা। আহত সজল প্রামানিক (২৫) নামে একজনকে আহত অবস্থায় ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি ঈশ্বরদীর ভেলুপাড়া এলাকার শফি প্রামানিকের ছেলে ও কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক।

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মেহেদী হাসান বলেন, এলাকাবাসীর শান্তিপূর্ণ মিছিলে তানভীর হাসান সুমনের নেতৃত্বে নবী, দাদা সজিবসহ ওই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসিরা গুলিবর্ষন ও হামলা চালিয়েছে। 

তানভীর হাসান সুমন তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মিছিলে কারা গুলিবর্ষণ করেছে তা জানিনা তবে মিছিল থেকে একদল দূর্বত্ত আমার বাড়ি ও অফিসে হামলা ও ভংচুর করেছে। 

ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, মিছিল, হামলা, গুলিবর্ষনের খবর পেয়েছি তবে এখনো এ বিষয়ে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন