নিজস্ব প্রতিবেদক:১৮ ডিসেম্বর সোমবার বিকেল থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রচারণায় ভোটের মাঠে নামছেন প্রার্থীরা।
১৮ ডিসেম্বর সোমবার সারাদেশে রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন। প্রতীক পেয়েই ভোটের মাঠে পুরোদমে প্রচারণা চালাতে পারবেন প্রার্থীরা।
সংসদ নির্বাচনে বৈধ প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল ১৭ ডিসেম্বর রোববার বেলা চারটা পর্যন্ত। অফিস চলাকালে রিটার্নিং অফিসারের কাছে আবেদন করে প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এরপর চূড়ান্ত হয় প্রার্থী তালিকা। সোমবার প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এদিন থেকেই নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। প্রতীক নিয়েই প্রার্থীরা ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত ভোটের প্রচার চালাতে পারবেন। আর ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৬৩ আসনে লড়বেন। দলটি ২৯৮ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়। এর মধ্যে ৫টি আসন ইসির বাছাইয়ে বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া শরিকদের ৬টি আসন ও জাতীয় পার্টিকে ২৬টি আসন ছেড়ে দেওয়া হয়।
জাপার সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে- ঠাকুরগাঁও-৩, নীলফামারী-৩ ও ৪, রংপুর-১ ও ৩, কুড়িগ্রাম-১ ও ২, গাইবান্ধা-১ ও ২, বগুড়া-২ ও ৩, সাতক্ষীরা-২, পটুয়াখালী-১, বরিশাল-৩, পিরোজপুর-৩, ময়মনসিংহ-৫ ও ৮, কিশোরগঞ্জ-৩, মানিকগঞ্জ-১, ঢাকা-১৮, হবিগঞ্জ-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, ফেনী-৩, চট্টগ্রাম-৫ ও ৮, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন। এই আসনগুলোতে নৌকার প্রার্থী থাকবে না।
১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে- বগুড়া-৪, রাজশাহী-২, কুষ্টিয়া-২, বরিশাল-২, পিরোজপুর-২, লক্ষীপুর-৪ আসনে।
এর আগে নারায়ণগঞ্জ-৫ ও কুষ্টিয়া-২ আসন বাকি রেখে ২৯৮ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে ক্ষমতাসীনরা। এবার এ দুই আসন জোটের শরিক দলের প্রার্থী সেলিম ওসমান ও হাসানুল হক ইনুকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

