নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপির আন্দোলনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘তারা শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে। শেখ হাসিনা যদি ক্ষমতাচ্যুত হয়, তাহলে যে সরকারটি ক্ষমতায় আসবে তারা কারা? তারা এই
বাংলাদেশে কী করবে? শেখ হাসিনা যদি ক্ষমতা হারায় তাহলে বাংলাদেশ পৃথিবীর মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। বাংলাদেশ তখন আফগানিস্তান বা পাকিস্তান হবে। সেজন্য তারা প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে রাজপথে মিছিল-মিটিং ও ষড়যন্ত্র করছে। তারা স্বাভাবিকভাবে সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না। সেজন্য তারা ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিচ্ছে। তাদের নেতাকর্মীরা অস্ত্রসহ ধরা পড়ছে।
‘বিএনপি আবারো আগুন সন্ত্রাস করতে পারে। সে কারণে আমাদের আগামী নির্বাচন পর্যন্ত রাজপথে থাকতে হবে। রাজপথে থেকেই তাদের সব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।’
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর সবাইকে সমাবেশে শামিল হতে হবে। দলীয় শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে।’ সমাবেশে ব্যানার ব্যবহার না করার প্রতিও কঠোর নির্দেশনা দেন তিনি।
এসময় তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আওতাধীন কমিটি ৬০৫টি ইউনিট, ২৪টি থানা এবং ৭৭টি ওয়ার্ডের কমিটিগুলো করার জন্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতি আহ্বান জানান।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির বলেন, আওয়ামী লীগ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে তবে কেউ আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে পারবে না। আগামী ২৩ তারিখ আমরা সর্বোচ্চ নেতাকর্মী নিয়ে সমাবেশকে সফল করব। আবারো শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে তবেই আমরা ঘরে ফিরব।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে জরুরি বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য নুরুল আমিন রুহুল ও সহ-সভাপতি দিলীপ রায়সহ আরও অনেকে।
আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ সফল করার উদ্দেশ্যে এই জরুরি সভা করা হয় বলে জানান দলের নেতারা।
