![]() |
| প্রতীকী ছবি |
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর ১১ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাতে আটকের পর বুধবার দুপুরে ঈশ্বরদী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুজ্জামান বাদী হয়ে আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি করেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলা ছলিমপুর ইউনিয়নের শেখেরদাইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। তারা সরকার পতনের জন্য বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ভাঙচুর, রেললাইন উৎপাটন, রেলস্টেশন ও বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করার পরিকল্পনা করছিলেন। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে নেতাকর্মীরা পালিয়ে যান। এ সময় সেখান থেকে মো. আব্দুল বাতেন (৪০), মো. আব্দুল মজিদ (৬৩), মো. আব্দুল আজিজ (৬০), মো. মামুন হোসেন (৩৫), মো. মজিবুর রহমান (৬২), মো. ফরিদ আহমেদ (৬০), মো. শাহান আলী (৩২), মো. ইয়াছির আরাফাত ওরফে সুজন মাস্টার (৩৬), হাফেজ মো. ইনতাজ উদ্দিন (৬২) মো. শামীম হোসেন (২৬) ও মো. মোস্তফা কামাল (৩৫) আটক করে পুলিশ।
এজাহারে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল, বস্তাবন্দি ২০টি ইটের টুকরা ও ১৫টি বাঁশের লাঠি জব্দের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত ফরিদ আহমেদের এক আত্মীয় নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমার ভাই জামায়াতের সদস্য ঠিক। কিন্তু তিনি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত না। পুলিশ তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে।’
অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা জামায়াতের আমীর গোলাম রব্বানি খান জোবায়ের বলেন, ‘আমাদের জনস্রোত ঠেকাতে সরকার জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে দিয়ে গায়েবি মামলা করেছে।

