পাবনায় আ.লীগ প্রার্থীকে আসামি করে মামলা, গ্রেপ্তার দুই

নিহত ইয়াসিন আলম। ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়াসিন আলম (৪২) নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এতে ওই ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু সাঈদ খানকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ইয়াসিন আলমের বাবা মোজাম্মেল হক খান বাদী হয়ে মামলাটি করেন। প্রধান আসামির সঙ্গে মামলাটিতে আরও ৩৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ রাতেই অস্ত্রসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন ইউনিয়নের নলদহ গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদার (২৪) ও মুন্নাফ খান (২২)। তাঁদের কাছ থেকে একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও একটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর থেকেই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে। মামলা করার পর থেকে আসামিদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

গতকাল শনিবার সকাল নয়টার দিকে ভাড়ারা ইউপিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবু সাঈদ খানের সমর্থকদের সঙ্গে স্বতন্ত্র দুই প্রার্থী সুলতান মাহমুদ খান ও ইয়াসিন আলম সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়াসিন আলমসহ ১০ জন আহত হন। তাঁদের মধ্যেই ইয়াসিন আলমসহ দুজনের অবস্থার অবনতি ঘটে। তাঁদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ইয়াসিন আলম মারা যান। এ ঘটনায় এলাকায় দুপক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। এ পরিস্থিতিতে সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন এই ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন