নিজস্ব প্রতিবেদন: গরু লাথি দিয়েছে, এ ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত শাহ আলম মিয়া উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের শ্যামবাড়ি গ্রামের মৃত ইউনুছ মিয়ার ছেলে। তিনি ঢাকার কমলাপুরে সেলুনের ব্যবসা করতেন।
পুলিশ, মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহ আলম মিয়া গত ৩০ জুন গ্রামের বাড়িতে আসেন। কোরবানির গরু কেনার জন্য গতকাল শনিবার কসবার মূলগ্রাম ইউনিয়নের দশগাও আলীনগর রাইতলা গরুর বাজারে যান। বাদৈর ইউনিয়নের মান্দাপুর গ্রামের গাজী আলী আহাম্মদের ছেলে মাহবুব মিয়া (৪০), বায়েজিদ মিয়া (৩৫) ও ইসহাক মিয়া (৪৫) গরু কিনতে ওই হাটে গিয়েছিলেন।
হাটে মাহবুব মিয়াকে বাজারে আনা অন্য একটি গরু লাথি মারে। সঙ্গে দাঁড়ানো ছিলেন শাহ আলম মিয়া। তাঁর ধারণা, শাহ আলমের কারণেই তিনি গরুর লাথি খেয়েছেন। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে একটি থাপ্পড় মারেন।
এ নিয়ে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। মাহবুব মিয়ার ভাই বায়েজিদ মিয়া শাহ আলম মিয়াকে একটি লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। পরে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পাঠানো হয় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হলে শনিবার সন্ধ্যায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বামীর লাশের সঙ্গে থাকা শাহ আলমের স্ত্রী আছিয়া খাতুন মুঠোফোনে বলেন, ‘কোরবানির গরু কিনাও হলো না, আর কোরবানি দেওয়াও হবে না। সব শেষ হয়ে গেল। স্বামীর স্বপ্ন ছিল ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করানোর, সেই স্বপ্ন ভেঙে গেল। এখন বেঁচে থাকাই তাদের জন্য বড় কষ্টের।’
এ ঘটনায় শাহ আলমের ছোট ভাই আলম মিয়া বাদী হয়ে মাহবুব মিয়াকে প্রধান আসামি করে তাঁদের দুই ভাই বায়েজিদ মিয়া ও ইসহাক মিয়ার নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা সাত-আটজনের নামে একটি হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ শনিবার রাতে ইসহাক মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে। আজ রোববার আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শাহ আলমের এক মেয়ে আর দুই ছেলে। সন্তানেরা গ্রামে বসবাস করে। বড় মেয়ে মর্জিনা আক্তার স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এবং বড় ছেলে আরাফাত মিয়া একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পড়াশোনা করে। ছোট ছেলে রিফাত এখনো স্কুলে ভর্তি হয়নি।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর ভূঁইয়া বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছে পুলিশ। থানায় একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলার ৩ নম্বর আসামি ইসহাক মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
পুলিশ, মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহ আলম মিয়া গত ৩০ জুন গ্রামের বাড়িতে আসেন। কোরবানির গরু কেনার জন্য গতকাল শনিবার কসবার মূলগ্রাম ইউনিয়নের দশগাও আলীনগর রাইতলা গরুর বাজারে যান। বাদৈর ইউনিয়নের মান্দাপুর গ্রামের গাজী আলী আহাম্মদের ছেলে মাহবুব মিয়া (৪০), বায়েজিদ মিয়া (৩৫) ও ইসহাক মিয়া (৪৫) গরু কিনতে ওই হাটে গিয়েছিলেন।
হাটে মাহবুব মিয়াকে বাজারে আনা অন্য একটি গরু লাথি মারে। সঙ্গে দাঁড়ানো ছিলেন শাহ আলম মিয়া। তাঁর ধারণা, শাহ আলমের কারণেই তিনি গরুর লাথি খেয়েছেন। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে একটি থাপ্পড় মারেন।
এ নিয়ে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। মাহবুব মিয়ার ভাই বায়েজিদ মিয়া শাহ আলম মিয়াকে একটি লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। পরে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পাঠানো হয় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হলে শনিবার সন্ধ্যায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বামীর লাশের সঙ্গে থাকা শাহ আলমের স্ত্রী আছিয়া খাতুন মুঠোফোনে বলেন, ‘কোরবানির গরু কিনাও হলো না, আর কোরবানি দেওয়াও হবে না। সব শেষ হয়ে গেল। স্বামীর স্বপ্ন ছিল ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করানোর, সেই স্বপ্ন ভেঙে গেল। এখন বেঁচে থাকাই তাদের জন্য বড় কষ্টের।’
এ ঘটনায় শাহ আলমের ছোট ভাই আলম মিয়া বাদী হয়ে মাহবুব মিয়াকে প্রধান আসামি করে তাঁদের দুই ভাই বায়েজিদ মিয়া ও ইসহাক মিয়ার নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা সাত-আটজনের নামে একটি হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ শনিবার রাতে ইসহাক মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে। আজ রোববার আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শাহ আলমের এক মেয়ে আর দুই ছেলে। সন্তানেরা গ্রামে বসবাস করে। বড় মেয়ে মর্জিনা আক্তার স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এবং বড় ছেলে আরাফাত মিয়া একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পড়াশোনা করে। ছোট ছেলে রিফাত এখনো স্কুলে ভর্তি হয়নি।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর ভূঁইয়া বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছে পুলিশ। থানায় একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলার ৩ নম্বর আসামি ইসহাক মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

