সাউথইস্ট ব্যাংক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সাউথইস্ট ব্যাংক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

প্রান্তিক কৃষকদের পাশে সাউথইস্ট ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে প্রান্তিক কৃষকদের আর্থিক সহায়তা দিয়েছে সাউথইস্ট ব্যাংক। কৃষি উৎপাদন বাড়ানো, যন্ত্রপাতি কেনা ও কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াকরণে সহায়তা করতে বিভিন্ন এলাকার ২৫৭ জন কৃষকের হাতে এই সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।

সম্প্রতি রাজধানীর সাউথইস্ট ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) আবিদুর রহমান চৌধুরী, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নিউ এরা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে কৃষকদের হাতে এই সহায়তার অর্থ তুলে দেন।

এতে উপস্থিত ছিলেন নিউ এরা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী মো. শফিকুল ইসলাম ও পরিচালক মোস্তাক আহমেদ কিরণ। সাউথইস্ট ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল আমিন, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মো. মুশফিকুর রহমান এবং ঈশ্বরদী শাখার ব্যবস্থাপক ও নির্বাহী কর্মকর্তা আদনানুর রাফি।

অনুষ্ঠানের সার্বিক সমন্বয় করেন ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) বিভাগের সহকারী সহ-সভাপতি রবিউল আলম।

ঈশ্বরদীতে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ, বিএনপির সাবেক নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী ইমরুল কায়েস সুমনসহ পাবনার ঈশ্বরদী শাখা সাউথইস্ট ব্যাংকের পাঁচ কর্মকর্তার (বরখাস্ত) বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বৃহস্পতিবার পাবনা দুদকের উপপরিচালক মো. খায়রুল হক মোবাইল ফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন ইমরুল কায়েস সুমন (৪২)। ঈশ্বরদী শহরের রহিমপুর গ্রামের মোহিত বিশ্বাসের ছেলে ও মেসার্স কায়েস এন্টারপ্রাইজের মালিক। তিনি পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও ছাত্রদলের নেতা। মোশতাক আহমেদ (৪৭) রাজশাহীর তেরখাদিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার ফারুক আহমেদের ছেলে। তিনি সাউথইস্ট ব্যাংক ঈশ্বরদী শাখার সাবেক ইনচার্জ।

অন্য আসামিরা হলেন সাউথইস্ট ব্যাংকের ঈশ্বরদী শাখার সাবেক অপারেশন ম্যানেজার ও ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ভালুকা গ্রামের আজিমুদ্দিন শেখের ছেলে নজরুল ইসলাম (৫৩), ব্যাংকের জুনিয়র অফিসার ও বগুড়ার গাবতলী উপজেলার তরফ সরতাজ গ্রামের নায়েব আলীর ছেলে শামীম আহমেদ (৩৫) ও ব্যাংকের ট্রেইনি ক্যাশ অফিসার রাজশাহীর পবা উপজেলার কালুম গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে ইমরান (৩০)। তবে, ট্রেইনি ক্যাশ অফিসার ইমরানের বরখাস্তের আদেশ পরবর্তী সময় প্রত্যাহার করে তাঁকে পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৪ এপ্রিল অভিযুক্তরা নগদ টাকা গ্রহণ না করে চার কিস্তিতে ব্যবসায়ী ইমরুল কায়েসকে ৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকার পে-অর্ডার দেন। পরবর্তীকালে ইমরুল কায়েস মাত্র ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা জমা দিয়ে ২০২২ সালের ১৩ নভেম্বর ভারতে চলে যান। এরপর ব্যাংক বিভিন্নভাবে আরও ৩৮ লাখ ২৫ হাজার ৩২৮ টাকা আদায় করে। বিষয়টি আমলে নিয়ে দুদক তথ্য যাচাই শুরু করে।

অনুসন্ধানে পে-অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংক কর্মকর্তারা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়ার প্রমাণ পায় দুদক। এ ছাড়া প্রাথমিক তদন্তে ইমরুল কায়েসের পে-অর্ডার ভাঙিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা মিলে। পরে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

পাবনা দুদকের উপপরিচালক মো. খায়রুল হক বলেন, মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধান শেষে মামলাটি এজাহারভুক্ত করা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারে জোর প্রচেষ্টা চলছে। তবে পলাতক থাকার কারণে গ্রেপ্তার করা যায়নি। এর আগে মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত পাবনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন কুমার সূত্রধর বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন