সম্মেলন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সম্মেলন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে মৌচাষীদের সম্মেলন, ১৬ জেলা থেকে উপস্থিত চাষিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীর অভিজাত আরআরপি কমিউনিটি সেন্টারে উত্তরবঙ্গ মৌ–চাষী সমিতির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে ১৬ জেলার মৌচাষীরা এতে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ডক্টর কবির উদ্দিন আহমেদ।

কীটতত্ত্ব বিভাগ, শের–ই–বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (গবেষণা)   ড. আতাউর রহমান, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ড. মো. আতিকুল ইসলাম,  মৌমাছি পালন প্রকল্পের প্রাক্তন প্রকল্প পরিচালক জগদীশ চন্দ্র সাহা এবং বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক  আব্দুল্লাহ আল মামুন। 

এছাড়া বক্তব্য দেন উত্তরবঙ্গ মৌ–চাষী সমিতির সভাপতি আব্দুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক শিশির কুমার সাহা এবং ঘরের বাজার হানিরাজ কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন। কোরআন তিলাওয়াত করেন হাফেজ জয়নাল আবেদীন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মৌচাষী মো. ওয়াজেদ আলী চৌধুরী।

বক্তারা বলেন, মৌ–চাষ লাভজনক পেশা। দেশে মধুর চাহিদা অনেক বেশি। প্রতিটি খাঁচায় থাকে একটি রানী মৌমাছি। মৌমাছি ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে খাঁচায় জমা করে, এরপর চাষিরা তা সংরক্ষণ করেন। মধু প্রাকৃতিক খাবার এবং বাজারে কেজি–প্রতি চার–পাঁচশ টাকা দরে বিক্রি হয়। সরিষা ক্ষেতে মৌ–খামার থাকলে পরাগায়নের ফলে ফলনও বাড়ে। ফলে কৃষকেরা বেশি সরিষা চাষে উৎসাহী হন। দেশে ভোজ্যতেলের চাহিদা বেশি, তাই সরিষার ফলন বাড়লে আমদানি নির্ভরতা কিছুটা কমে। বক্তারা বলেন, আধুনিকভাবে কৃত্রিম মৌ–রানী তৈরি প্রযুক্তি চালু করতে হবে।

তাঁরা আরও বলেন, ২০ বছর ধরে পরিশ্রম করে মৌ–চাষিরা এই সংগঠন ধরে রেখেছেন। দেশে এখনো সম্পূর্ণভাবে মৌ–খামারভিত্তিক কার্যক্রম শুরু হয়নি। আশির দশকের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি এখন প্রয়োজন দক্ষতা ও আধুনিক পদ্ধতি। উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত নীতিমালা সম্পর্কে চাষীদের জানা জরুরি। নিরাপদ খাবার উৎপাদনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ভালো মানের মধু উৎপাদন এবং মৌস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষণ দিয়ে নতুন মৌ–চাষী তৈরিও জরুরি। দেশে যত বেশি চাষী বাড়বে, তত বেশি মধু উৎপাদন সম্ভব। দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করলে বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জন করা যাবে।

ঈশ্বরদীর সতীর্থ থিয়েটারের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন সতীর্থ থিয়েটারের অষ্টম দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

"মুক্ত করো গো সকল ঈর্ষা, যুক্ত করো গো প্রেম" এই প্রতিপাদ্যে শুক্রবার বিকেল ৫টায় ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সতীর্থ থিয়েটারের সভাপতি আতাউর রহমান বাবলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত। 

সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ কিরণ ও বিশেষ অতিথি ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি  উপাধ্যক্ষ ইসমাইল হোসেন।

সভা সঞ্চালনা করেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক শরিফুল ইসলাম। পরে সম্মলনে ২৪-২৫ অর্থ বছরের জন্য সতীর্থ থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা এম রাশেদুল আওয়াল রিজভীকে সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন মিন্টুকে সহ-সভাপতি,  শরিফুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক, হারুন অর রশিদকে কোষাধক্ষ্য  ও নূর উদ্দীন রাজনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হয়। 

সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন মিন্টু, সতীর্থ থিয়েটারের সভাপতি আতাউর রহমান বাবলু ও  সাধারণ সম্পাদক এম রাশেদুল আওয়াল রিজভি।

সম্মেলনে বক্তারা বলেন, সতীর্থ থিয়েটার দেশের সংস্কৃতির বিকাশে ও বাঙালির চিরায়ত লোকসংস্কৃতির প্রশারে দেশব্যাপী শক্তিশালী সাংস্কৃতিক জাগরণের জন্য কাজ করছে। তারা বলেন,দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি কে ব্যাহত করতে ও অপরাজনীতি চালিয়ে যেতে যত চেষ্টাই করা হোক না কেনো সাংস্কৃতিক জাগরণের মধ্য দিয়ে সকল অপশক্তি কে মোকাবিলা করা হবে।বক্তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মানে সতীর্থ  থিয়েটার আন্দোলনকে আরও জোরদারের আহ্বান জানান।
স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন