নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনা জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু বলেছেন, 'আগামীর বাংলাদেশ হবে আধুনিক ও গণতান্ত্রিক। এখানে আর ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করে রাজনীতি হবে না। ব্যক্তি স্বার্থে হিন্দু-মুসলমান বা জাতিগত বিভেদ তৈরি করে যে বিপজ্জনক রাজনীতি চালু হয়েছিল, তার আর কোনো জায়গা থাকবে না। সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু—এসব শব্দও বাংলাদেশ থেকে মুছে যাবে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ আমরা মাঠে মাঠে পৌঁছে দিচ্ছি। আমরা চাই সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে মিলেমিশে নতুন বাংলাদেশ গড়ুক।'
বুধবার শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর এলাকার ৩০টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
জাকারিয়া পিন্টু আরও বলেন, 'বিএনপি শুরু থেকেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির রাজনীতির পক্ষে। ভবিষ্যতেও সেই ধারা অব্যাহত থাকবে। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—সবাই মিলেই হবে আগামীর বাংলাদেশ। তারেক রহমানের নেতৃত্বেই আমরা গড়ে তুলব সম্প্রীতি ও গণতন্ত্রের দেশ।'
তিনি অভিযোগ করে বলেন, দেশে এখনও ষড়যন্ত্র চলছে। একটি গোষ্ঠী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংসের চেষ্টা করছে। তবে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সব অপশক্তিকে পরাজিত করা হবে। 'ধর্ম ভিন্ন হলেও আমরা সবাই এক জাতিসত্তার অংশ—আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি। ধর্ম কোনো প্রাচীর নয়, কোনো বিভাজন নয়। এটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য।'
পরে তিনি বিভিন্ন মন্দিরে গিয়ে পূজারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আতাউর রহমান পাতা, ঈশ্বরদী শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি নান্নু রহমান, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন জনি, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসলাম হোসেন জুয়েল, সাবেক কাউন্সিলর ইলিয়াস আহমেদ এলবাস, শিল্প ও বণিক সমিতির নির্বাহী সদস্য ওহিদুজ্জামান মিন্টু, সাঁড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আক্কাস আলী, বিএনপি নেতা আখতারুজ্জামান কবু, জামিল হোসেন, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোস্তফা নূরে আলম শ্যামল, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুনুর রশীদ নান্টু, সদস্য সচিব মাহামুদুর রহমান ফুল জুয়েল প্রমুখ।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম দিপু, খোরশেদ আলম জুয়েল, সালাউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান সোনামণি, বাবু সরদার, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক একেএম সাজেদুজ্জামান জিতু, রাশেদুল ইসলাম রিপন, সেলিম চৌধুরী, রেজাউল হক মুকুল, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক ফরাজী, দলীয় নেতা ফয়সাল ইকবাল জুয়েল, যুবদল নেতা শেখ রিংকু, জালাল উদ্দীন, মোক্তার প্রামানিক, বিল্লাল হোসেন, পৌর ছাত্রদল নেতা নাজমুল হাসান রিসাদ, কলেজ ছাত্রদল নেতা মাহমুদুল ইসলাম শাওন ও ছাত্রনেতা নাজমুল হোসেন মুন্না।

