ব্যবসা-বাণিজ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ব্যবসা-বাণিজ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে দোকান কর্মচারীদের কল্যাণে নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী বাজারের দোকান কর্মচারীদের কল্যাণে গঠিত হলো নতুন একটি সংগঠন। ‘বাজারের দোকান কর্মচারী কল্যাণ সমিতি’ নামে ৩১ সদস্যের এই সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করে রোববার দুপুরে। গোপাল সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কমিটির পরিচিতি ও নবীনদের বরণ অনুষ্ঠিত হয়।

কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রকিবুল ইসলাম রনি এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সমাপ্ত হোসেন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম শফি, সহসভাপতি দুলাল প্রামাণিক, যুগ্ম সম্পাদক নুরুল ইসলাম সুজন, অর্থ সম্পাদক মেহেদী হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন আলী খান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল খান,  প্রচার সম্পাদক রাজন কুমার ঠাকুর, দপ্তর সম্পাদক মাহবীয়া রবিন, নারী সম্পাদক ফারজান ফেরদৌস পুষ্প, ক্রীড়া সম্পাদক হাসনাইন আহমেদ ঈমন, সহ ক্রীড়া সম্পাদক ফিরোজ হোসেন। 

কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন: শাহিনুর রহমান বাধন, শফিকুল ইসলাম, শরিফ হোসেন, আব্দুল জব্বার পিন্টু খান, শাকিল খান, শাহজাদা হোসেন, ফাহিম ইসলাম, মাহিবি রহমান মাহিন, ফিরোজ আলী, শাহিন হোসেন, জুবায়ের হোসেন, আকতার হোসেন, নওশাদ আলম পাপ্পু, আকতার মোল্লা, কবির হোসেন, আনোয়ার হোসেন, ইকবাল খান ও সুমন আলী।

সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন—নবীন ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী রবিউল নবী, শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি নান্নু রহমান, জাকের সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাসুম পারভেজ কল্লোল এবং বঙ্গবন্ধু সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আরিফুল হক।

এদিক সংগঠনের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের পর নবগঠিত কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান ঈশ্বরদী শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি আশিকুর রহমান নান্নু।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি ৭টি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সামনে রেখে দোকান কর্মচারীদের স্বার্থে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

দুর্নীতি ও বাজার কারসাজি তদন্তে নতুন কমিটি গঠন

নতুন কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিগত সময়ের অনিয়ম, কারসাজি ও দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রবিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পুঁজিবাজার উন্নয়ন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক মানের সুশাসন নিশ্চিত করতে পুঁজিবাজার সংস্কারে সুপারিশের জন্য ৫ সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছর মেয়াদে পুঁজিবাজারেও অবাধ লুটতরাজ হয়েছে। অসংখ্য দুর্বল ও প্রায় অস্তিত্বহীন কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এসব কোম্পানি পুঁজিবাজারের জন্য আজ বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে এই বাজারে লাগামহীন কারসাজির মাধ্যমে দুর্বল মৌলভিত্তি, জাংক কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ফ্লোরপ্রাইস আরোপ, সার্কিট ব্রেকারের ঊর্ধ্বসীমা ও নিম্নসীমায় নানা কৃত্রিম ব্যবস্থায় বাজারের এ অবস্থা ঢেকে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু এখন ওই কৃত্রিম চেষ্টা না থাকায় ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকা অনিয়ম, দুর্নীতি, কারসাজির অনিবার্য পরিণতি এখন আগের চেয়েও বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

বিএসইসি গঠিত পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্সের কার্যপরিধি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭টি। রেগুলেটরি ফ্রেমওয়ার্কের সংস্কার, রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্স ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিতকরণ, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন, পুঁজিবাজারে পণ্য ও বাজার উন্নয়নে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ, বিনিয়োগ শিক্ষার প্রসার ও ব্যাপ্তি বৃদ্ধি, বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি, পুঁজিবাজারে কর্মরত পেশাজীবীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার, বাজারের বৈচিত্র্য আনতে নতুন পণ্য আনা, সর্বোপরি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং পুঁজিবাজারের গঠনমূলক ও টেকসই সংস্কার ইত্যাদি সংস্কারমূলক কার্যক্রমে বিএসইসি কাজ করছে।

টাস্কফোর্স কার্যক্রমের বাইরেও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়ন ও সংস্কারে পথনকশা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়ে বাজারের বিভিন্ন সমস্যা ও করণীয় বিষয়ে নানা সুপারিশ উঠে এসেছে।

পুঁজিবাজার তদারকি ও কারসাজি নিয়ন্ত্রণে সার্ভিলেন্স সিস্টেমের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের কাছে সহযোগিতা চেয়েছে বিএসইসি। পুঁজিবাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর অংশ হিসেবে শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে বৈঠক করছে বিএসইসি।

পুঁজিবাজারের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন, তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে কোম্পানির ভ্যালুয়েশন, আইপিও অনুমোদন ও তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া সহজ করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করছে কমিশন।

দেশের পুঁজিবাজারের আকার বৃদ্ধি ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরির জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

​​আশা করা যায়, উপরোক্ত পদক্ষেপের ফলে বড়, মাঝারি ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা দ্রুত সুফল পাবে। অতীতের দূরবস্থা ও শেয়ার কেলেঙ্কারির মাধ্যমে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সরকার তাদের বিষয়টি বিবেচনা করে সুবিধা দেবে।

অসহযোগিতা করলে সিস্টেম ভেঙে নতুন লোক নিয়োগ হবে: উপদেষ্টা

উপদেষ্টা

সংবাদ সাতদিন ডেস্ক : শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, অসহযোগিতা করলে প্রয়োজন হলে সিস্টেম ভেঙে দিয়ে নতুন লোক নিয়োগ দেওয়া হবে। জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে সরকার কোনো ছাড় দেবে না।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মত বিনিময় সভায় এ কথা বলেন।

সভায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের কঠোর অবস্থান তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে চট্টগ্রামের কর্মকর্তাদের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে। বাজারে দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটগুলোর উৎস চিহ্নিত করে প্রয়োজনে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেপ্তার করতে হবে।

সভায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরসহ কয়েকটি দপ্তরের প্রতিনিধি উপস্থিতি না থাকায় ক্ষোভ জানান উপদেষ্টা ও শ্রম সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

এর আগে, উপদেষ্টা সকাল ৯টার দিকে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও এম আজিজ স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন।

এ সময় মাঠ ও স্টেডিয়ামের বেহাল অবস্থা দেখে হতাশা জানান। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনাও দেন তিনি।

বিমানের ফ্লাইট অপারেশনের প্রথম নারী পরিচালক ক্যাপ্টেন তাসমিন

বিমানের ক্যাপ্টেন তাসমিন
নারী ক্যাপ্টেন তাসমিন দোজা । ছবিঃ সংগৃহীত

স্টাফ রির্পোটার: প্রথম নারী ক্যাপ্টেন তাসমিন দোজা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট অপারেশন্স পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।

এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বসরা ইসলাম ইউএনবিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার(১৪ অক্টোবর) থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।

বাংলাদেশ বিমানের ১৯৯৩ সালে ক্যাডেট পাইলট হিসেবে যোগদান করে কর্মজীবন শুরু করেন ক্যাপ্টেন তাসমিন। ১৯৯৬ সালে তিনি উন্নত টার্বোপ্রপ বিমানে ফার্স্ট অফিসার পদে উন্নীত হন। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে তিনি ফকার এফ-২৮ বিমানের বেস ট্রেনিং এবং লাইন চেক ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বিমানের বোয়িং ৭৩৭ বহরের চেক পাইলট ছিলেন।

তার বিস্তৃত উড্ডয়ন অভিজ্ঞতার পাশাপাশি, ক্যাপ্টেন তাসমিন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ফ্লাইট ডাটা মনিটরিংয়ের টিম লিডার এবং বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ফ্লাইট অপারেশন ইন্সপেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 

অতি সম্প্রতি তিনি বিমানের ফ্লাইট অপারেশন বিভাগের চিফ অব ট্রেনিং হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন