বিদ্যালয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিদ্যালয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ইক্ষু গবেষণা উচ্চ বিদ্যালয়ে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে পাবনার ইক্ষু গবেষণা উচ্চবিদ্যালয়ে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার সকাল ১১টার দিকে পাবনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আয়োজনে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ইক্ষু গবেষণা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাসানুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. আতাউর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ কে এম রাশেদুল ইসলাম, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শামসুল আরেফিন, পাবনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঈশ্বরদী ‘খ’ সার্কেলের পরিদর্শক মো. আব্দুর রহিম ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঈশ্বরদীতে সভাপতি না পেয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়কের বিরুদ্ধে পোস্ট, স্থানীয় নেতাদের প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী উপজেলার একটি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির পদ ঘিরে স্থানীয় বিএনপির অভ্যন্তরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়কের বিরুদ্ধে 'অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ' এনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শরীফুল ইসলাম শরীফ। 

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে অভিযোগটি প্রত্যাখ্যান করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

অভিযোগকারী শরীফুল ইসলামের দাবি, অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে মানিকনগর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কমিটির সভাপতি হিসেবে তসলিম আরিফ তুষারকে নির্বাচিত করেছেন পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব।

শনিবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জেলা বিএনপির আহ্বায়ককে উদ্দেশ্য করে শরীফুল লেখেন, ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক এক পুলিশ কর্মকর্তার স্বজনকে মানিকনগর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি করতে পদটি কত টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে এই পোস্ট আসার পর থেকেই পক্ষ-বিপক্ষে নানা মন্তব্য করতে থাকেন স্থানীয় রাজনীতিকেরা।

এ ঘটনার প্রতিবাদে রোববার বিকেলে মানিকনগর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, শরীফুল ইসলাম ইতিপূর্বে বিদ্যালয়টির পরিচালনা পর্ষদের এডহক কমিটির দায়িত্বে ছিলেন। অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে এবার অভিভাবকেরা তাঁকে কমিটিতে রাখেননি। পদ হাতছাড়া হওয়ার ক্ষোভ থেকেই তিনি জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়েছেন। লেনদেনের কোনো প্রমাণ তিনি দিতে পারবেন না উল্লেখ করে নেতারা জানান, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে শরীফুলকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে দাবি জানানো হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জিয়াউল হক সন্টু সরদার, সাবেক সদস্যসচিব আজমল হোসেন সুজন, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম তুহিন, সাবেক চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান, বিএনপি নেতা হাফিজুর রহমান মুকুল, নবনির্বাচিত সভাপতি তসলিম আরিফ তুষার, কৃষক দলের সদস্যসচিব মইনুল হক সরদার, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম নয়ন ও হাবিবুর মহলদারসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ঈশ্বরদীতে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর বাঁশেরবাদা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ফি’র চেয়ে বেশি টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর এই বিদ্যালয় থেকে ১৬৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩ হাজার ২২০ টাকা এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩ হাজার ৬০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, বিজ্ঞান বিভাগের ফি ২ হাজার ৪৮৫ টাকা এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ফি ২ হাজার ৩৬৫ টাকা।

শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রায় দেড়শ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এই বাড়তি টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে টাকা নেওয়ার বিপরীতে কোনো রশিদ দেওয়া হয়নি। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরে সবাইকে একসঙ্গে রশিদ দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা দ্রুত এই ঘটনার তদন্ত করে অতিরিক্ত ফি আদায় বন্ধসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ওবায়দুর রহমান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না; প্রধান শিক্ষকই এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলতে পারবেন। প্রধান শিক্ষক শামসুল ইসলাম জানান, সরকারি ফি কম হওয়ায় কিছু দরিদ্র শিক্ষার্থী ও মাস্টার রোলে থাকা শিক্ষকদের সহায়তার জন্য এই অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে।

তবে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুর রহমান এই যুক্তিকে নিয়মবহির্ভূত বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত ফি’র বাইরে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাড়তি এক টাকা নেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন