বিএসআরআই লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিএসআরআই লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বিএসআরআই’র জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক:  বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) আয়োজিত জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ মার্চ, মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানের এএসএম কামাল উদ্দিন মেমোরিয়াল হলে এ সভা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরআই-এর মহাপরিচালক ড. কবির উদ্দিন আহমেদ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএসআরআই-এর পরিচালক (গবেষণা) ড. কুয়াশা মাহমুদ, পরিচালক (টিওটি) ড. ইসমত আরা, নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন ভূঁইয়া, নাটোর সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একলাসুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কর্মচারী, অংশীদার ও কৃষকরা।

সভায় জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএসআরআই-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নূর আলম। এছাড়া, তথ্য অধিকার আইন নিয়ে আলোচনা করেন ড. আমিনুল হক, অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আলোচনা করেন ড. কামরুজ্জামান, এবং সিটিজেন চার্টার (সেবা প্রতিশ্রুতি) বিষয়ে বক্তব্য রাখেন কাজী শ্রেষ্ঠত্ব প্রত্যাশা।

মুক্ত আলোচনায় নাটোরের কৃষক হাজী মসলেম উদ্দীন বলেন, ‘একসময় আখ উৎপাদনে একাধিক খাতে ভর্তুকি দেওয়া হতো, যা এখন সীমিত করা হয়েছে। পুনরায় একাধিক খাতে ভর্তুকি চালু করা হলে কৃষকরা আরও উৎসাহিত হবে। তিনি আরও বলেন, শুদ্ধাচার বিষয়ে কৃষকদের সচেতন করতে শুধু বক্তৃতার পরিবর্তে হ্যান্ডনোট বিতরণ করা উচিত।’

নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের চাষি, ঈশ্বরদীর মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, ‘প্রদর্শনী প্লট না পাওয়ায় কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ কম হয়েছে এবং মিল সময়মতো আখ মাড়াইয়ের ব্যবস্থা নেয়নি, ফলে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আখের জমিতে সেচের পানি পাওয়া কঠিন, আর পেলেও অতিরিক্ত মূল্য দিতে হয়।’

নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘বর্তমানে মিলের দৈনিক ১,৫০০ টন আখ মাড়াই ক্ষমতা রয়েছে, যা চাষিদের চাহিদার তুলনায় কম। এটিকে ৩,০০০ মেট্রিক টনে উন্নীত করতে আধুনিকায়ন বা নতুন মিল স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘চিনি উৎপাদনের পাশাপাশি বহুমুখী উৎপাদন চালু করলে মিল সারা বছর লাভজনকভাবে পরিচালিত হতে পারবে।’

মহাপরিচালক ড. কবির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জাতীয় শুদ্ধাচার চর্চা অত্যন্ত জরুরি। প্রতিটি দপ্তরে শুদ্ধাচার যত বেশি চর্চা হবে, তত বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেকের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে দুর্নীতি নির্মূল হবে এবং জনগণ প্রত্যাশিত সেবা পাবে।’

বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইন্সটিটিউটে মৌ খামারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ‘মৌমাছি গবেষণায় বিএসআরআইয়ের ভূমিকা’ শীর্ষক মৌ খামারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএসআরআই) এর কীটতত্ব বিভাগ এ সমাবেশের আয়োজন করে। পুষ্টি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য মধু ও মৌচাষ গবেষণা কার্যক্রম জোরদার কর্মসূচির আওতায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিএসআরআইয়ের ইয়াছিন আলী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত মৌ খামারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মো. ওমর আলী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএসআরআইয়ের পরিচালক (টিওটি) মোছা. ইসমাৎ আরা। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরআইয়ের কীটতত্ব বিভাগীয় প্রধান ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আতিয়ার রহমান। 

বিএসআরআইয়ের ডিজি ড. ওমর আলী বলেন, মৌ মাছি সংরক্ষণ, মৌ স্বাস্থ্য ব্যবস্থাসহ মৌ চাষে সুবিধাজনক সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মৌ মাছি থেকে মধু উৎপাদন করে দেশ বিদেশে রপ্তানি হবে এটা আমরা প্রত্যাশা করি। আলোচনা শেষে ৩০ মৌ চাষির প্রত্যেককে ২টি করে মৌ সংরক্ষণ বক্স প্রদান করা হয়।

মৌ খামারী সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন মুখ্য কৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. হাসিবুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. তোফায়েল আহমেদ, কীটতত্ব বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নুরে আলম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এলমুরুর রেজা, মৌ খামারী জাহাঙ্গীর আলম ও শিশির কুমার রায়। এই সমাবেশে দেশের ৩০ জন মৌ চাষি অংশগ্রহণ করেন।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন