প্রণোদনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রণোদনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা পেলেন ৩ হাজার ২২০ কৃষক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘কৃষিই সমৃদ্ধি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ঈশ্বরদীতে খরিপ মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার সকাল ১০টায় ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন ও উপকরণ বিতরণ করা হয়।  

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩ হাজার ২২০ জন কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও বিভিন্ন সবজির বীজ, রাসায়নিক ও জৈব সার, বালাইনাশক এবং লেবুর চারা বিতরণ করা হয়। এর মাধ্যমে উপজেলার ১ হাজার ৬২ দশমিক ৬ একর জমিতে উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল মমিন।  

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, কর্মসূচির আওতায় ৫০০ জন কৃষককে প্রতিজনে ১ কেজি গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি সার, ১ কেজি বালাইনাশক ও ২ কেজি পলিথিন দেওয়া হয়। ২০ জন কৃষককে দেওয়া হয় ৫টি করে উচ্চফলনশীল লেবুর চারা ও ৩০ কেজি জৈব সার। এছাড়া বসতবাড়িতে সবজি চাষের জন্য ২ হাজার ৭০০ জন কৃষককে বিভিন্ন শাকসবজির বীজ এবং ১৫ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার দেওয়া হয়।

আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা সুবিধাভোগী কৃষকদের হাতে প্রণোদনার উপকরণ তুলে দেন।

ঈশ্বরদীতে ৩৫০ কৃষক পেলেন আউশ ধানের বীজ ও সার

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি প্রণোদনার অংশ হিসেবে ঈশ্বরদীতে ৩৫০ জন প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে বিনা মূল্যে আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণ শুরু হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদত হোসেন খান। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিতা সরকার।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা প্রল্লদ কুমার কুণ্ডু, কৃষি কর্মকর্তা তানভীর স্বাক্ষর ও উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা এখলাছুর রহমান।

প্রতিটি কৃষক পাচ্ছেন ৫ কেজি উফশী আউশ ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার।

উপজেলার মোট সাতটি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার কৃষকেরা এই সহায়তা পাচ্ছেন। এর মধ্যে মুলাডুলিতে ১০০ জন, দাশুড়িয়ায় ৫০, লক্ষ্মীকুণ্ডায় ৫০, পৌর এলাকায় ৫০, সলিমপুরে ৩০, পাকশীতে ৩০, সাড়ায় ৩০ ও সাহাপুর ইউনিয়নে ১০ জন কৃষক এই প্রণোদনার আওতায় এসেছেন।

কৃষি কর্মকর্তা মিতা সরকার বলেন, 'কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এবং প্রান্তিক কৃষকদের পাশে দাঁড়াতেই এই উদ্যোগ। আমরা চাই, কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে।'

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন