ঈশ্বরদীতে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরীফকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার মামলায় সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক বিপুল হোসেন বুদুকে প্রধান আসামি করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের নতুনহাট গোলচত্বর এলাকায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

মিছিলটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নতুনহাট গোলচত্বর মোড়ে এসে প্রতিবাদ সমাবেশে রূপ নেয়। এতে বক্তব্য দেন পাবনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক বরকত আলী, দাশুরিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম লাকী, পাকশী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাহীন উদ্দিন শেখ, ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক আলীমুল ইসলাম মৃধা, সাহাপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আলিমুল ইসলাম বাধন ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক কনক মন্ডল।

সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, বিপুল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। কোনো একটি পক্ষের নির্দেশে কিংবা প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে ঘটনার আসল পথ ভিন্নখাতে নেওয়ার উদ্দেশ্যে বিপুলকে মিথ্যা মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে। বক্তারা এই মামলাকে হয়রানিমূলক দাবি করে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ১৯ আগস্ট রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে ব্যক্তিগত গাড়ি চালিয়ে জয়নগরের নিজ বাসায় ফিরছিলেন শরিফুল ইসলাম শরীফ। পথে জয়নগর কিন্ডারগার্টেনের সামনে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাঁর গাড়ির পথরোধ করে গুলি ছোড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে তাঁকে প্রথমে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ঘটনার ছয় দিন পর ২৫ আগস্ট শরিফুল বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিপুল হোসেনকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও পাঁচ থেকে সাতজনকে অভিযুক্ত করা হয়।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন