বৃহস্পতিবার দুপুরে সাঁড়া ঘাট ক্যানেলপাড়া ৫ নম্বর ঘাটে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন সাঁড়া ৫নং ঘাটের ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম রাজু, ফরহাদ হোসেন, স্থানীয় বাসিন্দা বিনোদ মণ্ডল, অপূর্ব কুমার, জামাল প্রমাণিক, সুকুমার হালদার, আসলাম হোসেন, সাগর মোল্লা, গুলিবিদ্ধ যুবকের স্বজন রিজিয়া খাতুন, ফাহিমা খাতুন, রিনা বেগম ও মুরসিদা বেগম।
গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেন, সাঁড়া ইউনিয়নসহ লালপুর ও কুষ্টিয়ার চরাঞ্চলে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। তারা জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বিষয়টি জানলেও কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে অস্ত্র মহড়া দিচ্ছেন এবং গুলি চালিয়ে নদীপাড়ের মানুষদের আতঙ্কিত করছেন। গত ৬ অক্টোবরও বালুমহলে টোল আদায়ের ঘটনায় তারা গুলি চালায়, এতে দুই যুবক গুলিবিদ্ধ হন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, তিনি সদ্য যোগদান করেছেন। পদ্মা নদীতে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী আছে শুনেছেন। ইতিপূর্বে যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। দুটি গ্রামবাসী চিকিৎসাধীন। নৌপুলিশ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তিনি অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেন।
ঈশ্বরদী নৌ-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়েছে এবং পদ্মা নদীতে টহল অব্যাহত রয়েছে।

