১২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে পুলিশ ব্লাড ব্যাংকের ১৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
আইজিপি বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশ দেড়শ বছরের পুরোনো একটি প্রতিষ্ঠান। আমরা এর মধ্যে অনেক নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করে এসেছি। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের জন্যও পুলিশ সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। নির্বাচন উপলক্ষে যে সব ব্যবস্থা নেয়া দরকার, আমাদের সব ধরনের প্রশিক্ষণ আছে, লজিস্টিকস ও ইক্যুইপমেন্টও আছে। আমরা আমাদের পুরো জনবল নিয়ে প্রস্তুত আছি।’
তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমরা নির্বাচন পূর্ববর্তী, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন পরবর্তী সময়ের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছি। তফসিল ঘোষণার পর আমরা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। নির্বাচন কমিশন থেকে আমাদের যে সব দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে, আমরা পালন করছি। সফলভাবে ইতোপূর্বে আমরা অনেক নির্বাচন সম্পন্ন করেছি, আগামী দিনেও যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেয়ার জন্য আমাদের গোয়েন্দা ভিত্তিক অপারেশন পরিচালিত হচ্ছে। আপনারা জানেন বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্নস্থানে নাশকতা করা হচ্ছে। কিন্তু নাশকতাকারীরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনে দাঁড়ানোর মতো সাহস আছে বলে আমি মনে করি না। আমাদের সেই সামর্থ্য ও সাহস আছে।’
তিনি আরও বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশন থেকে সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের তালিকা পাইনি, তবে তাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশনা পেয়েছি। সন্ত্রাসী-অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে অভিযান আমরা সবসময়ই করি, এখনও করছি। প্রতিনিয়ত তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

