নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডা. সাহেদ ইমরান এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক অর্থ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান মিতুল।
৪ অক্টোবর বুধবার রাতে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের স্বাক্ষরে এ কমিটি ঘোষনা করা হয়।
কমিটিতে প্রফেসর ড. খন্দকার বজলুল হককে চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনকে সদস্য সচিব নির্বাচিত করা হয়।
এছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও অন্য সদস্যদের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের সঙ্গে বন ও পরিবেশ বিষয়ক এ উপকমিটিতে ঈশ্বরদীর দুই কৃতী ব্যক্তিকে সদস্য নির্বাচিত করা হয়েছে। এরা হলেন অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান মিতুল ও সহকারী অধ্যাপক ডা. সাহেদ ইমরান।
গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও স্বাস্থ্যসেবায় অন্যন্য ডা. সাহেদ ইমরান স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ 'স্বাচিব' ও বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশন ‘বিএমএ’ সংগঠনের একজন নেতা। একইসঙ্গে তিনি বঙ্গবন্ধু কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাহেদ ইমরান বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাহেদ ইমরান বিগত জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনে পাবনা-৪ আসন থেকে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তিনি করোনাকালীন সময় প্রায় ১০ হাজার মানুষকে বিনা পয়সায় চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন। ঈশ্বরদীতেও তিনি শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা প্রদান করেন। সাহেদ ইমরান দর্শকনন্দিত এটিএন নিউজের স্বাস্থ্য বিষয়ক অনুষ্ঠানের সঞ্চালক। আওয়ামী লীগের উপকমিটিতে সদস্য করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি শ্রদ্ধাবনত চিত্তে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ডা. সাহেদ ইমরান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান বিশ্বের একজন জননন্দিত সফল রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর স্নেহভাজন হয়ে আওয়ামী লীগের উপকমিটি থাকতে পেরে আমি ভীষণ গর্বিত ও আনন্দিত।
অপরদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান বঙ্গবন্ধু কেন্দ্রীয় কমিটির একজন সম্মানিত সদস্য। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাবেক ট্রেজারার। ড. কামরুজ্জামান ছোটবেলা থেকেই প্রগতিশীল কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধু আদর্শ বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার পাশাপাশি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যলয়ের প্রকল্প পরিচালক ছিলেন। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটেরও দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর ভাই প্রয়াত আতিয়ার রহমান বঙ্গবন্ধু পরিষদ ঈশ্বরদী শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। এক প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে সে দায়িত্ব পালন করব বলে আশা করছি। আমি সকলের সহযোগিতা চাই।

