নিজস্ব প্রতিবেদক: ঘূর্ণিঝড় মোখার বিপদ কমায় চট্টগ্রাম বন্দর ও শাহ আমানত বিমানবন্দর কাজ শুরুর প্রস্তুতি নিয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষপর সচিব ওমর ফারুক বলেন, ‘মহাবিপদ সংকেত তুলে নিয়ে সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সেই হিসেবে আমাদের অ্যালার্ট-৪ তুলে নেয়া হয়েছে। ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত অনুযায়ী এখন অ্যালার্ট-১ জারি আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাইনি আমরা। বন্দর তৈরি। এখন কেউ চাইলে আমরা পণ্য ডেলিভারি দেব। তবে কাল জোয়ারের সময় জেটিতে জাহাজ ভিড়বে, তখন জাহাজ থেকে পণ্য খালাস শুরু হবে। এখন অন্যান্য স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’
প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা বাংলাদেশ উপকূল পেরিয়ে মিয়ানমারে গিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। মহাবিপদ সংকেত তুলে নিয়ে জারি করা হয়েছে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত।
মহাবিপদ সংকেত তুলে নেয়ার খবরে সচল হচ্ছে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরও। সোমবার সকাল ৬ টা থেকে শুরু হচ্ছে বিমান ওঠা-নামা।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ব্যবস্থাপক গ্রুপ ক্যাপ্টেন তাসলিম আহমেদ বলেন, ‘মহাবিপদ সংকেত তুলে নেয়ায় আমাদের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আগামীকাল সকাল ৬ টা থেকে বিমান ওঠানামা শুরু হবে।’
শনিবার চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের পরিপ্রেক্ষিতে নিজস্ব ‘অ্যালার্ট-৪’ জারি করা হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্ক সংকেত ৮ বা তার বেশি হলেই নিজেদের সর্বোচ্চ এই অ্যালার্ট জারি করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এই এলার্ট জারি হলে বন্দরের সকল কার্যক্রম ক্রমান্বয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়।
শুক্রবার রাতেই ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে পরদিন সকাল ৬ টা থেকে রোববার রাত ১২ টা পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বিমান উঠানামা বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

