পাবনা জেলা পরিষদ নির্বাচন: ঈশ্বরদীতে সংরক্ষিত ও সাধারণ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ৯ প্রার্থীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: অবশেষে বহুল প্রত্যাশিত পাবনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে ঈশ্বরদী থেকে সংরক্ষিত নারী ও সাধারণ সদস্য পদে নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতায় করছেন। আজ সোমবার এ নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটাররা তাঁদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন।

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, ঈশ্বরদীতে সংরক্ষিত নারী ও সাধারণ সদস্য পদে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৩ ও সাধারণ সদস্য পদে ৬ জন লড়ছেন। মোট ভোটার ১০৭ জন। এর মধ্যে উপজেলায় সাত ইউনিয়নে প্রতিটিতে ১৩ জন করে মোট ৯১, ঈশ্বরদী পৌরসভার ১৩ ও উপজেলা পরিষদের ৩ জন ভোটার রয়েছেন। তারা ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদ হলরুম কক্ষে ইভিএম'র মাধ্যমে ভোট দেবেন।

৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- পাকশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছাইফুল ইসলাম বাবু মন্ডল (টিউবওয়েল), উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম বিশ্বাস (হাতি), ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ও উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহব্বায়ক মুরাদ মালিথা (তালা), উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও মেজর অটো হাস্কিং মিল এসোসিয়েশন পাবনা জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তৌফিকুজ্জামান রতন মহলদার (ঘুড়ি), সাহাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী নেতা মুরাদ আলী (বৈদ্যুতিক পাখা) ও সাহাপুর ইউনিয়নের চড়গড়গড়ির রহিমপুর গ্রামের বকুল মৃধা (সিএনজি)।

পাবনা সদর, ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- সুমাইয়া সুলতানা হ্যাপি (টেবিল ঘড়ি), ফাহিমা আক্তার পলি (হরিণ) ও মাহমুদা খাতুন (ফুটবল)।     

এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার জানান, ভোটের দিন যে কোনো সহিংসতা এড়াতে মাঠে পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী থাকবে।

ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিএম ইমরুল কায়েস বলেন, সোমবার ঈশ্বরদীতে একটি ভোটকেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ কেন্দ্রে ইতিমধ্যে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ করবে।
 
পাবনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা বিশ্বাস রাসেল হোসেন বলেন, পাবনা জেলা পরিষদ নির্বাচনের আয়োজন ভালো, পরিবেশও সন্তোষজনক রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করবেন, স্টাইকিং ফোর্স, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার সবাই কাজ করবেন।

প্রসঙ্গত পাবনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা থেকে দাঁড়ান জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক কামিল হোসেন। এতে পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক উপদেষ্টা আ স ম আব্দুর রহিম পাকন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে চলেছেন।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন