রাজশাহী মেডিকেলে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যু

করোনাভাইরাস ।প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে রাজশাহীর আটজন, পাবনার তিনজন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর ও চুয়াডাঙ্গার একজন করে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জন করোনায় মারা গেছেন।

করোনা পজিটিভ মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে রাজশাহীর সাতজন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর ও পাবনার একজন করে রয়েছেন। বাকি চারজন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। গতকাল শনিবার আটটা থেকে আজ রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনা ওয়ার্ডে মারা গেছেন ১১ জন। এ ছাড়া গত ১৩ জুন থেকে এ পর্যন্ত মৃত্যু ১০ থেকে ২৫–এর মধ্যে ওঠানামা করছে। গত ২৯ জুন ও ১৪ জুলাই ২৫ জন করে মারা গেছেন। মাসে এ পর্যন্ত মারা গেল ৪৪০ জন। গত জুন মাসের মারা গেছেন ৩৪৬ জন।

আজ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার শামীম ইয়াজদানী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ওয়ার্ডে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ৫০ জন। ছাড়পত্র নিয়ে চলে গেছেন ৫০ জন। এখনো হাসপাতালে ভর্তি ৪১৬ জন। এর মধ্যে করোনা পজিটিভ ১৭৮ জন, সন্দেহভাজন ১৮৮ জন ও নেগেটিভ ৫০ জন। আগের দিনে রোগী ছিল ৪১৯ জন। আজকের মোট রোগীর মধ্যে শুধু রাজশাহী জেলার রোগীই ২০৪ জন। যথারীতি দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নাটোর। এই জেলার রোগী ৬৮ জন।

দুই সপ্তাহ ধরে হাসপাতালের রোগীদের মধ্যে রাজশাহীর পরেই থাকছে নাটোর। পাবনা থেকেছে তৃতীয় স্থানে। তবে গতকাল থেকে পাবনা ও নওগাঁর রোগী সমান হয়ে যায়। আজ পাবনাকে পিছে ফেলে নওগাঁ এসেছে তৃতীয় স্থানে। আজ নওগাঁর রোগীর সংখ্যা ৪৯। আর পাবনার ৪৭। বর্তমানে হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে শয্যাসংখ্যা রয়েছে ৪৫৪।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী জেলার ২৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১২৮ জনের। শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। আগের দিনে এই হার ছিল ৬৫ দশমিক ৩ শতাংশ।

নওগাঁর ১০৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে পজিটিভ এসেছে ৪৯ জনের। শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ৪৭ দশমিক ৫৭ শতাংশ। আগের দিনে এই হার ছিল ২৯ দশমিক ৫ শতাংশ। এদিন নাটোরের ৮৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ১৫ জনের পজিটিভ এসেছে। জয়পুরহাটের ১৬০টি নমুনা পরীক্ষা করে পজিটিভ এসেছে ৩১টি।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন