![]() |
| প্রতীকী ছবি |
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইশাহাক জাবরহাট ইউনিয়ন বাজারের দক্ষিণ পাশের একটি ঘর ভাড়া নিয়ে ছয় থেকে সাত বছর ধরে সেখানে কম্পিউটার, নানা যন্ত্রাংশ ও ফ্লেক্সিলোডের ব্যবসা করছিলেন। গতকাল রাত ১২টার পর তিনি দোকান বন্ধ করেন। তবে ঈদ উপলক্ষে গতকাল তাঁর ব্যবসা ভালো হয়েছিল।
সারা দিনের ব্যবসার টাকা, ল্যাপটপ ও তিনটি মোবাইল ফোন ব্যাগে নিয়ে রাত সোয়া ১২টার দিকে ইশাহাক আলী ফ্রিডম মোটরসাইকেল নিয়ে জাবরহাট-মালঞ্চা রাস্তা দিয়ে নিজ বাড়ির দিকে রওনা দেন তিনি। কিন্তু দিবাগত রাত একটার পর দুর্বৃত্তরা রাস্তায় তাঁকে হত্যা করে টাকা, ল্যাপটপ ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়।
রাত দেড়টার দিকে জাবরহাট-মালঞ্চা রাস্তার জামতলী কালভার্টের পশ্চিম পাশে রাস্তার ওপর ইশাহাকের লাশ দেখতে পান এক পথচারী। এ সময় পথচারীর চিৎকারে এলাকার মানুষ সেখানে উপস্থিত হন।
আজ মঙ্গলবার সকালে কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, ইশাহাকের লাশের পাশে তাঁর ফ্রিডম মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল ফোন রাখা ছিল।
সাবেক ইউপি সদস্য আইয়ুব আলী, গ্রামবাসী তোফাজ্জল হকসহ তিনজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, দুটি মোবাইল ফোন ও ইশাহাকের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি লাশের পাশে রাখা ছিল। লাশের গলা কাটা ও পিঠে কয়েকটি ছুরির আঘাত ছিল। অনেক রক্তক্ষরণ হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর লাশ, মোটরসাইকেল ও মোবাইল সেট উদ্ধার করে।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার রায় বলেন, ইশাহাকের গলা কেটে ও গায়ে ছুরিকাঘাত করে তাঁকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।

