![]() |
| আষাঢ়ের শুরুতে ঈশ্বরদীতে আজ সকাল থেকেই থেমে থেমে হচ্ছে বৃষ্টি । ভোগান্তিতে জনজীবন। |
নিজস্ব প্রতিবেদন: বর্ষার শুরুতেই ঈশ্বরদীতে রেকর্ড পরিমাণ ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, গত চার বছরের মধ্যে ঈশ্বরদীতে এমন ভারী বৃষ্টি হয়নি। ভারী বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা ঘাট উপচে মানুষের বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে৷ এতে দূর্ভোগে পড়েছেন জন সাধারণ।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষক নাজমুল হাসান জানান, দীর্ঘ ৪ বছর পর একটানা সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড হয়েছে পাবনায়। এমন বর্ষণ কয়েক বছরের মধ্যে হয়নি। শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৯১ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে এখনো বৃষ্টি হচ্ছ। দিন শেষে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।
তিনি আরও বলেন, যদি কোনো এলাকায় ২৪ ঘণ্টায় ৪ থেকে ৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয় তাকে হালকা বৃষ্টি বলে। ১০ থেকে ১২ মিলিমিটার বৃষ্টিকে মাঝারি এবং ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বা তার বেশি বৃষ্টি হলে অতিভারী বৃষ্টিপাত ধরা হয়।
তিনি বলেন, আষাঢ়ের শুরুতে শুক্রবার সকাল থেকে এখন পর্যন্ত জেলার সকল উপজেলায় টানা বৃষ্টি হচ্ছে। আজ ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে, টানা বৃষ্টিতে ঈশ্বরদী শহরের আমবাগান, নূরমহল্লা, আমবাগান, পশ্চিম টেংরি কাচারী পাড়া রেল কলোনী, পিয়ারখালি, মশুড়িয়াপাড়া ও ভেলুপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় ড্রেন ও রাস্তা উপচে মানুষের বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে।
অন্যদিকে, সকাল থেকেই জলাবদ্ধ এলাকা গুলো পরিদর্শন করেছেন ঈশ্বরদীর পৌর মেয়র ইছাহক আলী মালিথা। তিনি বলেন, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় পানি আটকে যাওয়ায় জনগন অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। আমি ঈশ্বরদীর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই পানি নিষ্কাশনের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে,এই সমস্যার সমাধান দ্রুতই হয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন,এ বিষয়ে জনগনকেও সচেতন হতে হবে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা ব্যহত হয়, এমন কোনো কিছু ড্রেনে ফেলতেও অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

