![]() |
| পাবনা চিনিকলের এই লেগুনায় মাছ লুট হয়। |
নিজস্ব প্রতিবেদন: পাবনা চিনিকলের লেগুনায় মাছ লুটের তিনদিন পর অবশেষে চিনিকল কর্তৃপক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে।
বুধবার রাতে পাবনার চিনিকলের ব্যবস্থাপক মো: সাইফুদ্দিন মাছ লুটের ঘটনাটিকে মাছ 'খোয়া' হিসেবে উল্লেখ করে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
ডায়েরিতে তিনি উল্লেখ করেন, পাবনা চিনিকলের লেগুনা থেকে কয়েকদিন আগে কে বা কারা রাতের অন্ধকারে মাছ চুরি করে নিয়ে গেছে।"
ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: সাইফুদ্দিন ঢাকা প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে থানায় ডায়েরি করেন বলে জানা যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাবনা চিনিকলের একটি লেগুনা থেকে বিপুল পরিমাণ মাছ লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। তিনদিন ধরে এই দুর্বৃত্তরা লেগুনা থেকে মাছ লুট করে। উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়ননের ভাড়ইমারী আনন্দবাজার নালামুখে ৪৫ বিঘার এই লেগুনাটি। গত বৃহস্পতি, শনি ও রোববার ভোর পর্যন্ত দুর্বৃত্তরা পালাক্রমে সেখানে হানা দিয়ে ভ্যান বোঝাই করে মাছ লুটে নিয়ে গেলও পাবনা চিনিকল কর্তৃপক্ষ মামলা করবে না বলে দাবি করে। এসময় চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, "যেহেতু কারখানার টাকায় লেগুনায় মাছচাষ করা হয়নি। সেহেতু 'মাছ চুরি'র বিষয়ে তাদের কিছুই করণীয় নেই। এমনকি পুলিশকে জানানোর প্রয়োজনও বোধ করছে না তারা।" এনিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে চিনিকল কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে। ঢাকার প্রধান কার্যালয় থেকে নির্দেশ দেওয়া হয় ব্যবস্থা গ্রহণের। প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে মিল কর্তৃপক্ষ লুটের ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, পাবনা চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

