লাইফস্টাইল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
লাইফস্টাইল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বছরের প্রথম দিনটি কীভাবে কাটাবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সবকিছুরই প্রথম মানে বিশেষ। আর সেটি বছরের প্রথম দিন হলে তো কথাই নেই। এই দিন সবাই বিশেষ করে রাখতে চায়। একটু ভালো খাবার খেয়ে, একটু বাইরে ঘুরতে গিয়ে অথবা প্রিয়জনের সান্নিধ্যে সময় কাটিয়ে কোনো না কোনোভাবে দিনটি মানুষ বিশেষ করে তোলে। এই যে আরেকটি বছরের সূচনা হতে যাচ্ছে, দিনটি আপনি কীভাবে কাটাবেন? এই দিনে করতে পারেন ভিন্নকিছু। এমনকিছু কাজ করতে পারেন যা দিনটিকে আনন্দময় করে তোলে বা বিশেষ স্মৃতি হিসেবে রেখে দেয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক বছরের প্রথম দিনটি কীভাবে কাটাবেন-

সৃজনশীল কিছু করুন : বছরের প্রথম দিনটি স্মৃতিময় করে রাখুন সৃজনশীল কিছু করার মাধ্যমে। আপনার যদি লেখালেখির হাত থাকে তবে নতুন কিছু লিখে ফেলতে পারেন বা লেখা শুরু করতে পারেন। যদি গান গাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে নতুন কোনো গান কণ্ঠে তুলতে পারেন। ছবি আঁকতে ভালোবাসলে নতুন কোনো চিত্রকল্প ফুটিয়ে তুলতে পারেন আপনার ক্যানভাসে। এতে বছরের প্রথম দিনটি সারা বছরই আপনার জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

পরিকল্পনা লিখে রাখুন : যেকোনো কিছুর পরিকল্পনা থাকলে তা আরও সুন্দরভাবে চলতে থাকে। তাই সারা বছরের পরিকল্পনা শুরুতেই করে ফেলুন। আর বছরের প্রথম দিনেই তা লিখে রাখুন আপনার ডায়েরির পাতায়। বছরের কোন সময়টাতে নিজেকে কোথায় দেখতে চান তা লিখে রাখুন। এরপর সেই অনুযায়ী এগিয়ে যান। এতে আপনার লক্ষ্য পূরণ করা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। বছরের শেষে নিজেকে সফলদের তালিকায় দেখতে পাবেন।

যেকোনো কিছুর পরিকল্পনা থাকলে তা আরও সুন্দরভাবে চলতে থাকে। তাই সারা বছরের পরিকল্পনা শুরুতেই করে ফেলুন। আর বছরের প্রথম দিনেই তা লিখে রাখুন আপনার ডায়েরির পাতায়। বছরের কোন সময়টাতে নিজেকে কোথায় দেখতে চান তা লিখে রাখুন। এরপর সেই অনুযায়ী এগিয়ে যান। এতে আপনার লক্ষ্য পূরণ করা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। বছরের শেষে নিজেকে সফলদের তালিকায় দেখতে পাবেন।

ভিন্ন কিছু করুন : বছরের শুরুর দিনটাতে একটি কাঁচের জার আর রঙ-বেরঙের কাগজ কিনে নিয়ে আসুন। এবার সেই কাগজের ছোট ছোট টুকরা করে বছরজুড়ে বিভিন্ন স্মৃতিময় কাহিনি লিখে সংরক্ষণ করুন। বছর শেষে দেখবেন অনেক স্মৃতি সংরক্ষণ করা হয়ে গেছে। সেসব কাগজ তুলে একটা একটা করে পড়তে পারবেন। এতে নিজের সাফল্য ও ব্যর্থতাও বুঝতে পারবেন। ফলে নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ হবে।

মানবিক কাজ করুন : মানবিক কাজ আপনাকে মানসিক প্রশান্তি দেবে। বছরের প্রথম দিনটি বিশেষ করে রাখতে চাইলে মানবিক কোনো কাজে ব্যয় করতে পারেন। দরিদ্রদের সামর্থ্য অনুযায়ী উপহার দেওয়া, বৃদ্ধাশ্রমে বা এতিমখানায় গিয়ে কিছুটা সময় কাটানো, গাছ লাগানো এ ধরনের কাজ করতে পারেন। চাইলে এই দিনটি রক্তদানের জন্যও বেছে নিতে পারেন। এতে দিনটি বিশেষ হয়ে থাকবে।

ওয়াল ম্যাগাজিন বানাতে পারেন : যদিও এটি পুরনো আইডিয়া কিন্তু আপনার জন্য হতে পারে নতুন কিছু। আপনার পুরো বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি ওয়াল ম্যাগাজিন বানাতে পারেন। এতে ফেলে আসা বছরের বিভিন্ন স্মৃতি লিখে বা তোলা ছবি টাঙাতে পারেন। সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিতে পারেন। টাঙিয়ে দিতে পারেন ঘরের দেয়ালের এক কোণে। এটি সবারই ভালো লাগবে।

ভুঁড়ি কমাতে চান? পান করতে হবে এই ৫ জুস


নিজস্ব প্রতিবেদক: ওজন কমানো আর ভুঁড়ি কমানো এক কথা নয়। নানা নিয়ম মানার পরে ওজন কমলেও নাছোড়বান্দা ভুঁড়ি কমতে চায় না সহজে। এটি কেবল আপনার সৌন্দর্যই নষ্ট করে না, নানা শারীরিক সমস্যাও ডেকে আনে। আবার অনেক প্রচেষ্টার পর যদি ভুঁড়ি না কমে তাহলে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া কঠিন মনে হয়। একটুতেই হতাশ লাগে আর হাল ছেড়ে দিতে ইচ্ছা হয়। ভুঁড়ি কমানোর জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করাই যথেষ্ট নয়। সেইসঙ্গে আপনাকে নজর দিতে হবে খাবারের দিকেও। ৫ রকমের জুস আছে, যেগুলো খুব একটা সুস্বাদু নয়, কিন্তু নিয়মিত পান করতে পারলে খুব সহজেই ভুঁড়ি কমানো যাবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. করলার জুস : করলার তেতো ভাবের জন্য এই সবজি অনেকে খেতে চান না, সেখানে একেবারে করলার জুস! কিন্তু যতই তেতো হোক না কেন, এই জুসের উপকারিতা ভীষণ মিষ্টি। আপনি নাক-চোখ বন্ধ করে কোনোরকম একবার গিলে ফেলতে পারলেই হবে। প্রতিদিন সকালে করলার জুস পান করলে বাড়তি ভুঁড়ি নিয়ে আপনাকে আর দুশ্চিন্তা করতে হবে না। এতে ক্যালোরির পরিমাণ থাকে খুব কম আর থাকে ফ্যাট ঝরানোর নানা গুণ।

২. আমলকির জুস : আমলকির জুস ভীষণ উপকারী। কারণ আমলকীতে থাকা নানা স্বাস্থ্যকর উপাদান। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে আমলকির জুসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে দারুণ উপকার পাবেন। এটি ওজন কমাতেও কার্যকরী। সবচেয়ে বেশি উপকারিতা মিলবে খালি পেটে খেলেই। নিয়মিত খেতে পারলে দেখবেন আপনার ভুঁড়ি কমছে দ্রুতই। এটি আপনাকে সারাদিন সতেজ রাখতেও কাজ করবে।

৩. গাজর-মুলার জুস : আধাকাপ গাজর একদম গ্রেড করে নিন। এবার আধাকাপ মুলাও গ্রেড করে রাখুন। এরপর তার সঙ্গে মেশান দেড় কাপ পানি। এই তিন উপকরণ একটি পরিষ্কার হাঁড়িতে ফুটিয়ে নিন। ৩ থেকে ৪ মিনিট ফুটিয়ে নিলেই যথেষ্ট। এরপর নামিয়ে কিছুটা ঠান্ডা করে সবজিগুলো চিবিয়ে খেয়ে নিন আর পানিটুক পান করুন। এভাবে দিন দশেক প্রতিদিন একবার করে খান। এরপর কয়েকদিন বিরতি দিয়ে আবার দশদিন পান করুন। এই নিয়ম এক মাস পালন করতে পারলেই উপকার পাবেন।

৪. বেদানার রস: বেদানার রয়েছে নানা গুণ। এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য ওজন কমাতে দারুণ কার্যকরী। নিয়মিত বেদানা খেলে হজমশক্তি ভালো থাকে। বেদানার রস খেলে তা ভুঁড়ি কমাতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। বেদানা দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখতে পারে। ফলে ক্ষুধা কম লাগে। যে কারণে বার বার খাবার খাওয়ার ফলে ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। নিয়মিত বেদানার জুস পান করুন। এতে ভুঁড়ি তো কমবেই, সুস্থ থাকাও সহজ হবে।

৫. লাউয়ের রস:  লাউ একটি সুস্বাদু সবজি। এটি কেবল রান্না করেই খাওয়া যায় না, কাঁচাও উপকারী। বিশেষ করে লাউয়ের রস আপনার বাড়তি ওজন ও ভুঁড়ি কমাতে দারুণ কার্যকরী। লাউয়ের রস খলে তা ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। লাউ রান্না করে তো খাবেনই, সেইসঙ্গে প্রতিদিন সকালে লাউয়ের জুস খাবেন। এতে পার্থক্যটা নিজেই দেখতে পাবেন।

খাঁটি খেজুর গুড় চিনবেন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: শীত মানে খেজুর গুড়ের পিঠা-পুলি। এর স্বাদ ও গন্ধ অনন্য। খেজুর গুড় আবার কয়েক ধরনের হয়। তার মধ্যে পাটালি ও নলেন বা ঝোলা গুড় বেশি পরিচিত। পাটালি গুড় তো খাওয়া হয়ই, শীতের সময়ে ঝোলা গুড়ের তৈরি বিভিন্ন পদও খাওয়া হয়। আবার শুকনো চিতই বা চাপটি পিঠার সঙ্গেও এই গুড় খাওয়া হয়। ঝোলা গুড় দিয়ে মুড়ি বা ছাতু মাখিয়ে খেতে ভালোবাসেন অনেকে। আপনি যদি খাঁটি গুড় চিনে কিনতে না পারেন, তাহলে আসল স্বাদ তো পাবেনই না সেইসঙ্গে তা ভেজাল মিশ্রিত হওয়ার কারণে অসুখের ভয়ও থাকতে পারে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক খাঁটি খেজুর গুড় চেনার উপায়-

ঝোলা গুড় কিনতে গেলে প্রথমে যে কাজটি করবেন তা হলো, যে গুড় কিনতে চাচ্ছেন সেখান থেকে সামান্য একটু তুলে মুখে দিন। এরপর এর স্বাদ বোঝার চেষ্টা করুন। যদি গুড় কিছুটা নোনতা স্বাদের মনে হয় তাহলে সেই গুড় কেনা থেকে বিরত থাকুন। কারণ ঝোলা গুড় খাঁটি হলে তা নোনতা স্বাদের হবে না।

পাটালি গুড় কিনতে গেলেও কিছু বিষয়ে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। এই গুড় খাঁটি হলে হালকা চাপ দিলেই ভেঙে যাওয়ার কথা। আলতো করে আঙুলের চাপ দিলেই যদি গুড় ভেঙে যায়, তাহলে বুঝবেন সেই পাটালি গুড় খাঁটি। অপরদিকে গুড় যদি শক্ত ডেলা হয়ে থাকে, তাহলে বুঝে নেবেন সেটি খাঁটি পাটালি গুঁড় নয়, ভেজাল মিশ্রিত।

খেজুর গুড়ের গন্ধ আপনার মন জুড়িয়ে দেবে এটা যেমন সত্যি, তেমনই সত্যি হলো গন্ধ শুঁকেই মজে গেলে হবে না। কারণ আসল গন্ধ না বুঝে কিনে ফেললে ঠকে যাওয়ার ভয় থাকতে পারে। অনেক সময় গুড়ের কৃত্রিম সুবাস আনার জন্য রাসায়নিক মেশানো হয়। তাই গন্ধ শুঁকেই সেই গুড় খাঁটি বলে ধরে নেবেন না।

নারীর রূপচর্চায় ‘ইয়ারএন্ড’ ক্যাম্পেইন

নিজস্ব প্রতিবেদক: বছরের শেষ মাসে গ্রাহকের কাছে প্রতিটি সেবাকে সহজলভ্য করার জন্য ‘ইয়ারএন্ড সেল’ ক্যাম্পেইন চালু করলো বায়োজিন কসমেসিউটিক্যালস।

স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট, নিউট্রিশনিস্ট কাউন্সেলিংসহ সব সেবায় বায়োজিনের প্রতিটি শাখায় সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ ছাড় পাওয়া যাবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ক্যাম্পেইনের আওতায় স্কিন কেয়ার প্রোডাক্টে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের পাশাপাশি ‘বায়ো হাইড্রা ফেসিয়াল’ এবং ‘বায়ো লেজার’ সেবা পাওয়া যাবে ৯৯৯ টাকায়।

এছাড়া ২টি সেশন কিনলে ১টি, ৩টি কিনলে ২টি এবং ৫টি কিনলে ৫টি সেশন একদম ফ্রি। বডি শেপিং অ্যান্ড স্লিমিং ট্রিটমেন্টে ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্টের পাশাপাশি স্কিনের কন্ডিশন নির্ণয় করতে ‘স্কিন অ্যানালাইসিস’ পাওয়া যাবে মাত্র ২৫০ টাকায়। এই অফারে রয়েছে ডাক্তারের কনসালটেশন কনসাল্টেশন পাওয়া যাবে বিনামূল্যে।

ত্বকের সৌন্দর্যের পাশাপাশি এস্থেটিক্ ক্লিনিকে দেশে প্রথমবারের মতো নারীদের মানসিক সুস্থতায় 'মাইন্ড কেয়ার সল্যুশন' নামে নতুন সেবা চালু করেছে বায়োজিন কসমেসিউটিক্যালস।

সম্প্রতি তাদের মিরপুর-১ ও ধানমন্ডি ব্রাঞ্চে বিনামূল্যে চালু করেছে নতুন এই সেবাটি। পরে দেশজুড়ে ১৪টি ব্রাঞ্চে সেবাটি চালু হতে পারে বলে নিশ্চিত করেছেন বায়োজিন কসমেসিউটিক্যালস।

চিংড়ির কাবাব তৈরির রেসিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক: কাবাব খেতে পছন্দ করেন নিশ্চয়ই? ঝটপট কোনো কাবাব তৈরি করতে চাইলে বেছে নিতে পারেন চিংড়ির কাবাব। এটি খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনই তৈরি করতে সময়ও লাগে অনেক কম। তাই বাড়িতে হঠাৎ অতিথি এলেও রাখতে পারেন এই পদ। রাখতে পারেন ঘরোয়া আয়োজনেও। চলুন জেনে নেওয়া যাক চিংড়ির কাবাব তৈরির সহজ রেসিপি- 

চিংড়ির কিমা- ১ কাপ, কাঁচা মরিচ কুচি- ১ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুচি- ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি- ২ টেবিল চামচ, সেদ্ধ আলু- পরিমাণমতো, কর্নফ্লাওয়ার- পরিমাণমতো, ডিম- ২টি, ব্রেডক্রাম- পরিমাণমতো, টমেটো সস- পরিমাণমতো, লবণ- স্বাদমতো।

যেভাবে তৈরি করবেন; ডিম, ব্রেডক্রাম ও তেল বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার পছন্দমতো আকারে গড়ে ডিমে ডুবিয়ে ব্রেডক্রাম মেখে ডুবো তেলে বাদামি করে ভাজতে হবে। এবার তুলে কিচেন টিস্যুর উপরে রাখুন। এতে বাড়তি তেল ঝরে যাবে। এরপর পছন্দের যেকোনো সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার কী? যা জানা জরুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার (বিপিডি) হচ্ছে এক ধরনের মানসিক স্বাস্থ্যজনিত অসুস্থতা যা একজন মানুষের আবেগ নিয়ন্ত্রণের ওপরে তীব্র প্রভাব ফেলতে পারে। লাগামহীন আবেগ মানুষের মাঝে অসহিষ্ণুতা বৃদ্ধি করে। অন্যরা কী ভাবছে তা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তার ফলে নেতিবাচক সম্পর্কের সূত্রপাত হয়। তবে, কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি এক্ষেত্রে সমাধান হিসেবে কাজ করে। 

বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিজর্ডারে ভুক্তভোগীরা প্রচন্ডরকম মুড সুইং এর শিকার হয়। এতে তাদের রুচি, চাহিদা এবং ব্যক্তিবিশেষের ক্ষেত্রে সম্পর্কের অবনতিও ঘটে থাকে। তবে উল্লেখযোগ্য লক্ষণগুলো হলো-

যেকোনো সম্পর্ক এড়িয়ে চলা কিংবা খুব দ্রুত সম্পর্কের ইতি টানা। পরিবার, বন্ধু কিংবা প্রিয়জনের সাথে জটিল কিংবা অস্থিতিশীল সম্পর্কের সূত্রপাত হওয়া।আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলা।কখনো কখনো আত্মঘাতী কাজ করা যেমন শরীরের কোনো অঙ্গ কেটে ফেলা।দীর্ঘদিন ধরে একাকিত্ব অনুভব করা।রাগ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলা।অন্যদের থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া ইত্যাদি।

গবেষণা থেকে জানা যায় যে, বংশগত, পরিবেশগত এবং সামাজিক ক্ষেত্রগুলোই এই সমস্যার জন্য প্রধানত দায়ী। তবে পরিবারে অন্য কারো যদি বর্ডারলাইন পারসোনালিটি ডিজর্ডার থেকে থাকে, তাহলে বাকি সদস্যদেরও এই সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়। এছাড়া, গবেষণা এটাও বলে যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মস্তিষ্কের রাগ এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণে কার্যরত অংশের গাঠনিক পরিবর্তনের কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়। অধিকন্তু, জীবনে ঘটে যাওয়া কোনো বিশেষ দুর্ঘটনা যা পরবর্তী সময়ে যা মানসিক ট্রমার কারণ হয়, তার ফলাফলস্বরূপ বর্ডারলাইন পারসোনালিটি ডিজর্ডার দেখা দিতে পারে।

একজন স্বীকৃত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ যেমন একজন সাইকিয়াট্রিস্ট, সাইকোলজিস্ট অথবা ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিজর্ডার শনাক্ত করতে পারেন। এক্ষেত্রে, ভুক্তভোগীর আচরণগত মূল্যায়ন, পূর্ব অভিজ্ঞতা অথবা পারিবারিক চিকিৎসা ইতিহাস থেকে নমুনা সংগ্রহ করে সম্ভাব্য লক্ষণগুলো নিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়। 

কীভাবে এই বর্ডারলাইন পারসোনালিটি ডিজর্ডার দূর করা যায় তার ওপরে অনেক গবেষণা রয়েছে। কাউন্সেলিং-এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইকোথেরাপি যেমন ডায়ালেক্টিক্যাল বিহ্যাভিয়র থেরাপি (ডিবিটি), কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি ( সিবিটি) এসবের মাধ্যমে চিকিৎসা বেশ কার্যকর। এছাড়াও কখনও কখনও মেডিসিন ও দরকার হয়। সেক্ষেত্রে ওষুধ এবং কাউন্সেলিং একসাথে নিতে হয়। এসবের বাইরেও ভালো পারিবারিক ও সামাজিক সহযোগিতা এখন মানসিক রোগীকে দ্রুত ভালো হয়ে উঠতে সাহায্য করে। তবে এসব লক্ষণসমূহ প্রাথমিকভাবে ম্যানেজ করতে সক্ষম না হলে অবশ্যই একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন