পৌরসভা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
পৌরসভা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

যানজট ও ড্রেনেজ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে ঈশ্বরদীতে জুয়েলের নির্বাচনী প্রচারণা

নিজস্ব প্রতিবেদন: আসন্ন পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঈশ্বরদী পৌর এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের রহিমপুর মাদ্রাসা সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে স্থানীয় বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঈশ্বরদী পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী ও সাবেক যুবদল আহ্বায়ক জাকির জুয়েল।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাকির জুয়েল ঈশ্বরদী পৌরসভাকে একটি আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন স্মার্ট নগরীতে রূপান্তর করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, পৌর এলাকার রাস্তাঘাট, সুপেয় পানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ, সুশৃঙ্খল রিকশা স্ট্যান্ড ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার মতো দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধান করা হবে। বিশেষ করে রেলগেট ট্রাফিক মোড় থেকে বাজারের পৌর মার্কেট পর্যন্ত এলাকার তীব্র যানজট নিরসনে কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেন তিনি।

এ সময় তিনি শৈলপাড়া ও রহিমপুর এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘ঈশ্বরদী পৌরসভাকে নিয়ে আমার যে সুদূরপ্রসারী স্বপ্ন রয়েছে, তা বাস্তবায়নে আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।’

সভা শেষে অনুষ্ঠানের সফল আয়োজনের জন্য স্থানীয় নেতা-কর্মী ও উপস্থিত সাধারণ মানুষকে ধন্যবাদ জানান জাকির জুয়েল। বিশেষ করে ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ কে এম ফজলুর রহমান সোহেল এবং হাফিজুল ইসলাম হাফিজের ভূমিকার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, তাঁদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ আয়োজন জনসভায় রূপ নিয়েছে।

ঈশ্বরদীতে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, মশক নিধনের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিনই নতুন রোগী শনাক্ত হচ্ছে। গত ১ থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ছয় দিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, এই সময়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ১২ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে তিনজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও অনেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ফলে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শোভন পাল বলেন, ‘গত ১৫ সেপ্টেম্বরের পর থেকে ঈশ্বরদীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে। হাসপাতালে আসা রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা নেওয়ায় রোগীরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন।’ এখন পর্যন্ত কোনো রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি বলেও জানান তিনি।

এদিকে পৌর এলাকায় মশা নিধনে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা। মশার উপদ্রব বাড়লেও পৌরসভার মশক নিধন কার্যক্রম নিয়মিত না থাকায় দ্রুত ওষুধ ছিটানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

ঈশ্বরদীর টিপু সুলতান সড়ক এখন মরণফাঁদ: প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা


নিজস্ব প্রতিবেদক: গর্ত, খানাখন্দ আর জলাবদ্ধতায় ঈশ্বরদীর গুরুত্বপূর্ণ টিপু সুলতান সড়কটি বেহাল হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই এ সড়কে যানবাহন বিকল হওয়া, আটকে পড়া ও দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে, যা পথচারী, শ্রমিক, চালক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগে ফেলছে।

সম্প্রতি পাকা সড়কের একটি বড় গর্তে পড়ে কাভার্ড ভ্যানসহ দুটি যাত্রীবাহী যানবাহন আটকে যায়। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যান চলাচল ব্যাহত হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কারের আশ্বাস দেওয়া হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় এটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর ধরে সড়কটি সংস্কারের কথা বলা হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। গত ছয় মাস ধরে টেন্ডার হওয়ার কথা বলা হলেও এখনো সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়নি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও জমা পানিতে গর্তগুলো ঢাকা পড়েছে। পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হতে পারে না; ফলে এক দিন বৃষ্টি হলেই কয়েক দিন ধরে সড়কজুড়ে পানি ও কাদা জমে থাকে।

ঈশ্বরদী শহর থেকে সাঁড়াগোপালপুর, বকশিরচক-তালতলা হয়ে ঈশ্বরদী ইপিজেড, পাকশী পেপার মিল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং লালন শাহ সেতু পর্যন্ত বিস্তৃত এই সড়কের প্রায় দুই কিলোমিটার অংশ পৌর আওতাধীন। বাকি অংশের কিছু অংশ রেলওয়ে এবং কিছু অংশ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় রয়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ঈশ্বরদী ইপিজেডে কর্মরত হাজার হাজার শ্রমিক, বিদেশি নাগরিকসহ প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করেন। এর পাশাপাশি যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, বালুবাহী ট্রাক্টর ও ড্রাম ট্রাকের মতো ভারী যানবাহন চলাচল করায় সড়কটি দিনরাত ব্যস্ত থাকে।

স্থানীয় বাসিন্দা তানজিরুল আলম বলেন, এমনিতেই রাস্তাটি ভাঙাচোরা, তার ওপর দুই পাশে ঝোপঝাড় থাকায় সন্ধ্যার পর চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে। বৃষ্টিতে গর্তে পানি জমে যাওয়ায় প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।

ইপিজেডে চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও শ্রমিকেরা জানান, ভাঙাচোরা সড়কের কারণে প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো গাড়ি বিকল হয়ে পড়ে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মোড. আব্দুল জব্বার বলেন, সড়কের ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত ওজনের ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে এটি বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বৃষ্টির পানি ভাঙা অংশে জমে থেকে সড়কটিকে দ্রুত চলাচলের অনুপযোগী করে তুলছে। তিনি জানান, কয়েক বছর আগে সড়কের পাশ দিয়ে পুরোনো পাইলট লাইন তুলে নতুন রেললাইন স্থাপনের কাজ শুরুর পর থেকে এর বিভিন্ন অংশ আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সড়কটি সংস্কারের জন্য রেলওয়েকে একাধিকবার চিঠি দিয়েছে ঈশ্বরদী পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, প্রকল্পের আওতায় সড়কটির জরিপ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বর্ষা শেষ হলে দ্রুতই সড়ক নির্মাণের জন্য টেন্ডারের ব্যবস্থা করা হবে।

পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা (পিএনও) মোড. জহুরুল ইসলাম জানান, সড়কটির যানবাহন চলাচলের ধারণক্ষমতা ২০ টনের বেশি নয়। অথচ প্রতিদিন অতিরিক্ত ওজন নিয়ে বালুবাহী ড্রাম ট্রাক চলাচল করায় নির্ধারিত সময়ের আগেই এটি নষ্ট হচ্ছে।

ঈশ্বরদীতে ১৫ বছর একই পদে পৌর নির্বাহী, অভিযোগের শেষ নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিরবচ্ছিন্ন ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে সরকারি কর্মকর্তাদের তিন বছরের বেশি একই কর্মস্থলে না রাখার বাধ্যবাধকতা থাকলেও ঈশ্বরদী পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলামের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম ঘটেছে। তিনি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে একই কর্মস্থলে বহাল রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়নের তথ্য অনুযায়ী, জহুরুল ইসলাম ২০১১ সালে ঈশ্বরদী পৌরসভার সচিব হিসেবে যোগ দেন। তবে স্থানীয় সূত্র ও কার্যালয়ের নথিতে তাঁর দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে একই স্থানে থাকার তথ্য পাওয়া যায়, যা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সরকারি চাকরিবিধি ও নীতিমালায় তিন বছরের বেশি একই স্থানে পদায়নের সুযোগ না থাকলেও একজন কর্মকর্তা কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন, তা নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে, জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি ঈশ্বরদীর প্রয়াত আলহাজ্ব আবুল মনসুর খান স্টেডিয়ামে খেলাধুলা বন্ধ রেখে একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে মাঠ ভাড়া দিয়েছিলেন। সেখানে নির্মাণসামগ্রী রাখার অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি অরণকোলা পশুর হাটের জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা তৈরিতে তাঁর যোগসাজশ রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ছাড়া 'স্মার্ট প্রকল্প' চালুর নামে নাগরিকদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৭০০ টাকা আদায় করেও সেবা না দেওয়া, অযৌক্তিকভাবে পৌরকর বৃদ্ধি এবং পৌর ট্রাক টার্মিনালের ময়লার ভাগাড় ভরাটের মাটি রাতের আঁধারে বিক্রির ঘটনায় তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।

পৌরসভার একাধিক কর্মকর্তার দাবি, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় হওয়ায় এবং প্রভাবশালীদদের নিজের পক্ষে রেখে তিনি পদে টিকে আছেন। এমনকি পৌরসভার বিলাসবহুল গাড়িও তিনি নিয়মবহির্ভূতভাবে ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এসব দুর্নীতির তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৪ জুন পাবনা জেলা সমন্বিত দুর্নীতি দমন কমিশন পৌরসভা কার্যালয়ে দিনভর অভিযান চালায়। প্রাথমিক তদন্তে পৌরসভার বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন অভিযান পরিচালনাকারী দল।

পৌরসভার একাধিক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার কারণে জহুরুল ইসলামের প্রভাব ও কর্তৃত্ব বেড়েছে। তাঁদের দাবি, পৌরসভার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমে তাঁর প্রভাব রয়েছে। দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার বিষয়টি প্রশাসনের গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা উচিত বলেও তাঁরা মনে করেন।

ঈশ্বরদীর কয়েকজন পৌরবাসীও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একই কর্মকর্তা একই পদে থাকায় পৌরসভার সেবা ও বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তাঁদের দাবি, পৌরসভার বিভিন্ন অনিয়ম ও অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারি বিধি অনুযায়ী কর্মকর্তাদের বদলি ও দায়িত্ব পালনের বিষয়টি নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।

পাবনা জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঈশ্বরদী পৌরসভার নিয়মবহির্ভূতভাবে জমি হস্তান্তর করা ও দুর্নীতিসহ তাঁর বিরুদ্ধে ৮-১০ টি মামলা হয়েছে। আরও ৩-৪টি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পৌরবাসীর ভাষ্য, নাগরিকদের কাছ থেকে কর ও বিভিন্ন সেবার জন্য অর্থ নেওয়া হলে তার বিনিময়ে প্রত্যাশিত সেবা নিশ্চিত করা জরুরি। পৌরসভার উন্নয়নকাজ, কর নির্ধারণ এবং বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন বলে তাঁরা মনে করেন।

দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকা প্রসঙ্গে মানবাধিকারকর্মী নূর খান বলেন, একই পদে দীর্ঘদিন থাকলে দুর্নীতির সুযোগ বাড়ে। বদলির সুস্পষ্ট নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও এই কর্মকর্তার ক্ষেত্রে কেন ব্যতিক্রম ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা দরকার।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব জানান, একজন কর্মকর্তা দীর্ঘদিন কীভাবে এক স্থানে রয়েছেন, তা অনুসন্ধান করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে জহুরুল ইসলাম জানান, নিজের ইচ্ছায় তিনি একই কর্মস্থলে চাকরি করছেন না। কর্তৃপক্ষ বদলির আদেশ দেয়নি, তাই তিনি রয়েছেন।

চাটমোহর পৌরসভার সাড়ে ২০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি: পাবনার চাটমোহর পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় পৌরসভা কার্যালয়ে এই প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদ।

নতুন অর্থবছরের জন্য ২০ কোটি ৪৬ লাখ ২২ হাজার ৮৮০ টাকার এই বাজেট ঘোষণা করা হয়। এতে ৪৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা রাজস্ব উদ্বৃত্ত ধরে সমপরিমাণ ব্যয় দেখানো হয়েছে।

বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী প্রকৌশলী রাফিউল বারী, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) চিকিৎসক হুমায়ুন কবির এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউর রহমান।

এ ছাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি আসাদুজ্জামান আরশেদ, চাটমোহর প্রেসক্লাবের সভাপতি হেলালুর রহমান জুয়েল, সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান টুকুন, সাধারণ সম্পাদক এস এম মাসুদ রানা, ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ জিয়ারুল হক সিন্টু, পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী আবদুল আজিজ, লাইসেন্স পরিদর্শক মো. বাকিবিল্লাহ, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ দুলাল ও হিসাবরক্ষক ইমদাদুল হকসহ স্থানীয় সাংবাদিক এবং পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন