আত্মহত্যা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আত্মহত্যা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রূপপুর প্রকল্পে কর্মরত সেনা সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে সজীব মোল্লা (২৭) নামের এক সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাকশী পেপার মিল এলাকার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সেনা ব্যারাকের সরকারি কোয়ার্টার থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সজীব মোল্লা মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার চক দিয়াইল গ্রামের মজিদ মোল্লার ছেলে। তিনি ৮-৯ বছর ধরে সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার ডিউটি শেষে সজীব নিজ কোয়ার্টারের কক্ষে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। একপর্যায়ে পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। জানাজানি হলে সহকর্মীরা দরজা খুলে তাঁকে মৃত অবস্থায় পান।

রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে মৃত্যুসনদসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতার জন্য লাশ ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পাবনায় ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, গলায় পেঁচানো ছিল গামছা

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনায় শ্বশুরবাড়ির পাশের ডোবা থেকে তুহিন খাঁ (২০) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর গলায় গামছা পেঁচানো ছিল।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের নলদহ পূর্বপাড়া লালগোলা এলাকায় পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত তুহিন খাঁ সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের টাটিপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান ওরফে হাবি খার ছেলে। তাঁর শ্বশুর আকতার হোসেন নলদহ লালগোলা এলাকার বাসিন্দা ও দুবাইপ্রবাসী। তুহিনের স্ত্রীর নাম আফসানা খাতুন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুক্রবার তুহিন শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান। সন্ধ্যার দিকে স্ত্রী আফসানার সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। সকালে স্থানীয় লোকজন ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় তাঁর গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় দেখা যায়।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তুহিন রাতে মসজিদের বারান্দায় আত্মহত্যা করেছেন। রাত দুইটার দিকে পুলিশ খবর পায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে তখন মরদেহ পাওয়া যায়নি। পরে স্থানীয় লোকজন মরদেহটি ডোবায় ফেলে দেন। সকালে সেটি ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, তুহিন মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদক সেবন নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে তাঁর সঙ্গে ঝগড়া হয়েছিল।

ঈশ্বরদীতে আর্থিক সংকটে জীবন শেষ করলেন উদ্যোক্তা

ঈশ্বরদীতে পাওনাদারের চাপ সহ্য করতে না পেরে নূরুল ইসলাম (৫০) নামে এক সমবায় সমিতির মালিক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাতে মুলাডুলি রেলগেট এলাকায় নিজের অফিসেই গলায় ফাঁস দেন তিনি।

নূরুল ইসলাম উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের আটঘরিয়া গ্রামের সরকারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ‘মুলাডুলি সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি’ পরিচালনা করতেন।

স্থানীয়রা জানান, বাজারের অনেক ব্যবসায়ীর সঞ্চয় জমা রাখা টাকা ছিল তার কাছে। অনেক দিন ধরে টাকার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন লোকজন। কিছুদিন আগে জমি বিক্রি করে কিছু সদস্যকে টাকা পরিশোধ করেন নূরুল। কিন্তু বাকিদের টাকা ফেরত দিতে না পারায় তিনি মানসিক চাপে ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, হতাশা থেকেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

মুলাডুলি বাজারের ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলাম বলেন, 'সন্ধ্যায় এক লোক সমিতির অফিসে গিয়ে নূরুল ইসলামকে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে উঁকি দিলে দেখতে পান তিনি ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছেন।' পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

ঈশ্বরদী থানার ওসি শহীদুল ইসলাম বলেন, 'খবর পেয়ে রাত সাড়ে আটটার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।'

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন