ঈশ্বরদীতে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, এলাকা ছেড়েছেন অভিযুক্ত

নির্মানাধীন পাকা বাড়িতে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করা হয় 

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে এক বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার দূরসম্পর্কের চাচার বিরুদ্ধে। বুধবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বেতবাড়ীয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি মো. এসকেন হোসেন (৭০)। তিনি ওই গ্রামের মৃত আয়জদ্দির ছেলে এবং সম্পর্কের বিচারে ভুক্তভোগী কিশোরীর চাচা।

ভুক্তভোগী কিশোরী পরিবারসহ বেতবাড়ীয়া গ্রামে নানা বাড়িতে থাকে। তার বাবা সাইদুল ইসলাম মুলাডুলি ফার্মপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরী বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী হওয়ায় পরিবার তাকে সব সময় ঘরের ভেতরেই রাখত। সকালে পরিবারের অগোচরে সে ঘর থেকে বের হয়। এ সময় এসকেন তাকে টেনে হিঁচড়ে পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে রেখা খাতুন নামের এক প্রতিবেশী অন্য বাসিন্দাদের ডাকেন। পরে স্থানীয় লোকজন এসকেনকে হাতেনাতে ধরলেও একপর্যায়ে তিনি পালিয়ে যান।

কিশোরীর মামা আরাফাত রহমান বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে দ্রুত বাড়িতে ফিরি। তবে পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান। আমরা থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন প্রতিবেশী অভিযোগ করেন, এসকেনের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক নারীঘটিত ও ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। পূর্বে গ্রাম্য সালিসে অর্থদণ্ড দিয়ে তিনি পার পেয়ে যান। স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন