ট্রেনে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক: লালন শরণোৎসব উপলক্ষে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনে আসা ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ট্রেনের কামরা ভেতরে এবং ট্রেনের ছাদে কানায় কানায় পরিপূর্ণ যাত্রী। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়াতে লালন শরণোৎসবে অংশ নিতে তারা এসেছেন।

 শুক্রবার কুষ্টিয়ায় তিনদিন ব্যাপী লালন শরণোৎসবের শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে রংপুর, সৈয়দপুর, ঠাকুরগাঁ, নীলফামারী, চাটমোহর, সিরাজগঞ্জ ও ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ট্রেন গুলো যখন ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনে এসে স্টপেজ দেন। ট্রেনের কামরা ভেতরে এবং ট্রেনের ছাদে ও ইঞ্জিনের ছাদে কানায় কানায় পরিপূর্ণ যাত্রী। লালন উৎসবে যোগ দিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা ট্রেনের ছাদে উঠেছেন।

লালন উৎসবে অংশ নিতে ঈশ্বরদী থেকে ট্রেন, বাস, পিকআপ, মাইক্রো, সিএনজি, অটো এবং অন্যান্য যানবাহনে চড়ে রওনা হয়েছে। যানবাহন না পাওয়া অনেকেই পায়ে হেঁটে লালন উৎসবে যোগ দিতে রওনা দিয়েছেন।

নাটোর থেকে আসা কাকলি বাউল বলেন, লালন উৎসবে অংশ নিতে ট্রেনযোগে ঈশ্বরদী এসেছি। এখানে এসে গাড়ি-ঘোড়া না পেয়ে সাঁইজির নামে পায়ে হেঁটে রওনা হয়েছি। হাঁটতে হাঁটতে একসময় সাঁইজির মাজার পেয়ে যাবো। কাকলি বাউলের মতো অনেকেই তার সাথে হাঁটা শুরু করেছেন।

সিরাজগঞ্জ থেকে আসা, মোজাম্মেল চিশতী বলেন, ট্রেনে করে ঈশ্বরদী রেলওয়ে স্টেশনে এসে নেমেছি। ঈশ্বরদী থেকে কুষ্টিয়াতে যাওয়ার কোনো ট্রেন না পাওয়ায় সড়কপথে কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়াতে যাওয়ার জন্য যানবাহন খুঁজছি।

রাজশাহীতে যাওয়ার জন্য স্টেশনে আসা মুক্তার প্রামানিক বলেন, ঈশ্বরদী স্টেশনে যে গাড়িগুলো যাত্রা বিরতি করছে সেসব গাড়ির ভেতরে এবং ছাদে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেকেই ট্রেনের ছাদে উঠেছে। এখন ঈদ বা পূজা নয়, তাহলে এতো ভিড় কেন। প্রথমে বুঝতে পারিনি। পরক্ষণে বুঝতে পারলাম কুষ্টিয়ার লালনের মাজারে যাওয়ার জন্য মানুষেরা এসেছে।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন