নিজস্ব প্রতিবেদক: নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পাবনার ঈশ্বরদীতে রাশিয়ান জাতীয় পতাকা দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে। দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে ছিল শিশুদের চিত্রাঙ্কন, আলোচনা সভা, রাশিয়ান সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় এক রিসোর্টে এসবের আয়োজন করা হয়। ডিগো ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে এর আয়োজন করে রাশিয়ার পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই অ্যান্ড ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশন।
এরআগে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার ছোট ছোট পতাকা হাতে নিয়ে অতিথিদের স্বাগত জানায় বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা। পরে তাঁদের ফুল দিয়ে বরণ করে। অতিথিরা রাশিয়া ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় বাংলাদেশ ও রাশিয়ার জাতীয় পতাকাকে সম্মান প্রদর্শন ও দুইদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, ঢাকা রাশিয়ান হাউজের পরিচালক পাভেল দভয়চেনকভ।
রাশিয়ার পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই অ্যান্ড ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আলমগীর জলিলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, ঢাকা রুশ দূতাবাসের সাবেক কাউন্সিলর আন্দ্রে স্টারকভ, রূপপুর প্রকল্পের রুশ কর্মকর্তা রুবেলা ইউলিয়ানা, পাবনা-৪ আসনের সাবেক সাংসদ সিরাজুল ইসলাম সরদার, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের অধ্যাপক ড. রমিত আজাদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শফিকুল ইসলাম শামীম, স্বপ্নদ্বীপ রিসোর্টের স্বত্বাধিকারী খায়রুল ইসলাম ও পাকশী বিপিএড কলেজের অধ্যক্ষ আখতার আনজাম হোসেন ডন।
এর আগে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় রাশিয়ান জাতীয় পতাকা অঙ্কন এবং রাশিয়ান সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা। পরে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এই ব্যাপারে জানতে চাইলে আলমগীর জলিল বলেন, ‘এই আয়োজন হলো দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করা। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো। রাশিয়ান শিক্ষা, সংস্কৃতি সহ অন্যান্য বিষয়ের সাথে বাংলাদেশের সংযোগ স্থাপন করা হচ্ছে। রাশিয়া সবসময় বাংলাদেশের পাশে আছে। আমরাও তাদের পাশে থাকতে চাই।'
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, ড্যাফোডিলস্ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. জামিল খান।



