ঈশ্বরদীতে মারপিটের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আরমান। ছবি : সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে এক ব্যবসায়ীকে মারপিটের অভিযোগে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আরমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।  মারপিটের শিকার ব্যবসায়ী সাব্বির আহম্মেদ (২২) বাদী হয়ে মামালাটি করেন।

মামলার অন্য দুই আসামি হলেন খন্দকার আরমানের সহযোগী ও উপজেলা সদরের মাহাতাব কলোনির বাসিন্দা মো. মান্না (২৪) ও মো. জুয়েল (২৪)। খন্দকার আরমানের বাড়িও একই কলোনিতে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ী সাব্বির আহম্মেদ প্রায় তিন বছর ধরে উপজেলা সদরে ইন্টারনেট (ব্রডব্যান্ড সংযোগ) সেবার ব্যবসা করেন। কিছুদিন ধরে ওই ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নিতে ছাত্রলীগ নেতা আরমান বিভিন্ন হুমকি দিচ্ছিলেন। এর জের ধরে ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে উপজেলার মশুড়িয়াপাড়া মহল্লার বকুলের মোড়ে খন্দকার আরমানের নেতৃত্বে আরও দুজন চাপাতি ও রামদা দিয়ে তাঁর (সাব্বির) ওপর হামলা চালান। বেদম মারপিট করে সেখান থেকে তাঁকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে তিনি আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ্ হয়ে ফিরে মামলা করেন।

সাব্বির আহম্মেদ বলেন, হামলাকারীরা তাঁকে চরমভাবে পিটিয়েছেন। তাঁরা পকেট থেকে টাকা ও ইন্টারনেটের তারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম লুট করেছেন।

এই অভিযোগ অস্বীকার করে খন্দকার আরমান বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এর যথেষ্ট প্রমাণ আছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও সামাজিকভাবে হেয় করতে এই মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগ কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। ওই ঘটনায় সংগঠনের কেউ জড়িত থাকলে অবশ্যই খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার বলেন, তাঁরা মামলাটি নথিভুক্ত করেছেন। আসামিদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন