নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ঈশ্বরদীর উপজেলা শাখা দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করে। কর্মসূচির মধ্যে ছিলো দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা, পুষ্পমাল্য অর্পণ ও পায়রা অবমুক্তি।
সোমবার বিকাল ৫ টায় বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষনা ইনিস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বঙ্গবন্ধু পরিষদ ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক উদয় নাথ লাহিড়ীর সভাপতিত্বে সরকারী সাঁড়া মাড়য়ারী মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ শহীদুল হক শাহিনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বিশ্বাস।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুগারক্রপ ইনস্টিউট এর পরিচালক ড.ইসমতারা বেগম, ঈশ্বরদী পৌর সভার মেয়র ইছাহক আলী মালিথা, বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রিয় কমিটির ট্রেজারার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জালালউদ্দীন তুহিন, ঈশ্বরদী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ কিরণ, সরকারী সাঁড়া মাড়য়ারী মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজের অবসর প্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আইনুল ইসলাম, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সভাপতি ফজলুর হক, সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন, ঈশ্বরদী প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি খন্দকার মাহবুবুল হক দুদু, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজে সাবেক ভিপি ইমরুল কায়েস দারা, শিক্ষক লুৎফর রহমান ও ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগেরর কোষাধ্যক্ষ তৌফিকুজ্জামান রতন মহলদার।
এ সময় বক্তারা বলেন, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও উন্নয়নের জন্য তাঁর সারাটি জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর পাশাপাশি বঙ্গমাতাও দেশের স্বাধীনতার স্বপ্ন, ক্ষুধামুক্ত দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন।
তাঁরা আরও বলেন, এ ত্যাগী নারী পরিবারের সব দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে জাতি গঠনে মনোনিবেশ করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। শুধু তা-ই নয়, রাজনীতির নানা দুঃসময়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুকে দিয়েছিলেন গঠনমূলক পরামর্শ। সভার শুরুতেই বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও পায়রা অবমুক্তি করা হয়।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সদস্য ছাড়াও আইনজীবী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষকসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।



