রূপপুরের সহায়ক রিয়্যাক্টর ভবনের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন

 নিউক্লিয়ার আইল্যান্ড-ভবন বা পরমাণু দ্বীপের অংশ। ছবিটি সম্প্রতি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে তোলা।

নিজস্ব প্রতিবেদক: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের (আরএনপিপি) প্রথম ইউনিটে সহায়ক রিয়্যাক্টর ভবনের কংক্রিট ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আট মাস আগেই এ কাজ শেষ হয়।

এই ভবনটি ‘নিউক্লিয়ার আইল্যান্ড’ বা পরমাণু দ্বীপের অংশ। সেখানে নিয়ন্ত্রণ ডিভাইসসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি স্থাপিত হবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লজিস্টিক্সের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং সময়ানুযায়ী প্রয়োজনীয় নির্মাণ সামগ্রী ও যন্ত্রপাতির সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার ফলে নির্ধারিত সময়ের ২৪১ দিন আগেই ভবনটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

রুশ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নিকিমিত-এতমস্ত্রয় এর কর্মীরা প্রতি মাসে এক হাজার ৬০০ ঘনমিটার কংক্রিট ঢালাই করেন, যদিও শিডিউলে এর পরিমাণ ধরা হয়েছিল এক হাজার ঘনমিটার।

প্রকল্পের জেনারেল কন্ট্রাকটর এএসই’র ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং একই সঙ্গে রূপপুর এনপিপি নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক আলেক্সী দেইরী এ প্রসঙ্গে বলেন, সব চাহিদা পূরণ করে নিকিমিত-এতমস্ত্রয় এর কর্মীরা যে গতিতে কাজ সম্পন্ন করেছেন তাতে রূপপুর প্রকল্পের নির্মাণ কর্মীদের সর্বোচ্চ দক্ষতা ও পেশাদারত্বের পরিচয় পাওয়া যায়। আমাদের কর্মীদের এ জাতীয় পেশাদারত্বের ওপর ভরসা করে আমরা বলতেই পারি যে, কোভিড-১৯ অতিমারি এবং জটিল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং অন্যান্য চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও রূপপুর এনপিপির কাজ নির্ধারিত সময়েই শেষ হবে।

নির্মাণ কাজের সময় হ্রাস পাওয়ায় ওভারহেড খরচসহ সার্বিক খরচ হ্রাস পেয়েছে এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দক্ষ কর্মীদের নির্ধারিত সময়ের আগেই অন্যান্য কাজের জন্য পাওয়া গেছে। এসব কর্মীরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছেন।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন