![]() |
| ট্রেন। ছবি: সংগৃহীত |
নিজস্ব প্রতিবেদন: খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ৭২৫ নম্বর ‘সুন্দরবন এক্সপ্রেস’ ট্রেনের দুটি কোচ ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনের অদূরে লাইনচ্যুত হয়েছে। প্রধান লাইনে দুর্ঘটনার ফলে ঈশ্বরদীর সঙ্গে উত্তরাঞ্চলসহ সারা দেশের সব ধরনের রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকলেও নতুন লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
রোববার দিনগত রাত ৩টার দিকে ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনের অদূরে লোকোশেড ইয়ার্ডে ইঞ্জিনের সঙ্গের দুটি কোচ লাইনচ্যুত হয়। এর পর সোমবার ভোর ৫টা ৫৫ মিনিটে ঈশ্বরদী-রূপপুর প্রকল্পের নতুন রেলপথ ব্যবহার করে ট্রেনটি ঢাকা অভিমুখে যাত্রা করে। ওই দুর্ঘটনাকবলিত দুটি কোচ রেললাইন থেকে সরিয়ে প্রধান রেললাইন সচল করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় পরিবহণ কর্মকর্তা (ডিটিও) আনোয়ার হোসেনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন— পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে প্রকৌশলী-২ আব্দুর রহিম, সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী রাজিব বিল্লাহ, যান্ত্রিক প্রকৌশলী (লোকো) আশিষ কুমার মণ্ডল।
এ ব্যাপারে ডিটিও আনোয়ার হোসেন জানান, রোববার রাত আড়াইটার দিকে খুলনা থেকে আসা ৭২৫ নম্বর সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি ছেড়ে যাওয়ার পর ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনের লোকোশেড ইয়ার্ডে পৌনে ৩টার দিকে ইঞ্জিন থেকে দুটি কোচ লাইনচ্যুত হয়। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে রাত আনুমানিক সোয়া ৪টার দিকে ঈশ্বরদী লোকোমোটিভ কারখানা লোকোশেড থেকে রিলিফ ট্রেনের উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনের দুটি কোচের উদ্ধারকাজ শুরু করে।
তিনি বলেন, ঈশ্বরদী-রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের নতুন রেলরুট দিয়ে ওই ট্রেনের বগিগুলোকে পুনরায় ঈশ্বরদী স্টেশনে নিয়ে আসা হয়। পরে সোমবার ভোর ৫টা ৫৫ মিনিটের দিকে বিকল্প রেললাইন দিয়ে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ঢাকার দিকে ছেড়ে যায়। ঈশ্বরদী-ঢাকা রুটের রেললাইনটি সচল না হওয়া পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলসহ সারা দেশের সব প্রকার রেল-যোগাযোগ সচল রাখা হয়েছে নতুন রেললাইন দিয়ে।

