সোমবার এক বিবৃতিতে জি এম কাদের এসব অভিযোগ করেন।
জাপার চেয়ারম্যান বলেন, গত ২১ জুলাই ঈদুল আজহার আগে গণপরিবহন চলেছে মাত্র দুদিন। আবার ঈদের এক দিন পর থেকে কঠোর বিধিনিষেধের কারণে গণপরিবহন বন্ধ হয়ে যায়। এই অল্প সময়ে গণপরিবহনে গাদাগাদি করে ঈদযাত্রায় চলাচল করেছে লাখো মানুষ। এ সময় পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে গিয়ে আটকা পড়ে আরও কয়েক লাখ মানুষ।
বিবৃতিতে জি এম কাদের বলেন, কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে ৩০ জুলাই হঠাৎ ঘোষণা দেওয়া হয় ১ অক্টোবর থেকে তৈরি পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। এমন ঘোষণায় স্বল্প আয়ের শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তাঁরা হেঁটে, রিক্সা-ভ্যানে, এমনকি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাকে করে রাজধানীর পথে ছোটেন। এ শুধু কষ্ট নয়, শ্রমিকদের কয়েক গুণ বেশি টাকা খরচ করতে হয়েছে চাকরি রক্ষার্থে। প্রতিটি ফেরিতে কয়েক হাজার মানুষ গাদাগাদি করে নদী পার হয়েছেন। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মারাত্মকভাবে উপেক্ষিত হয়েছে। বিপর্যয় এড়াতে সরকারিভাবে ৩১ জুলাই ও ১ আগস্ট সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চালু করে সরকার।
জাপার চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, গত বছরের এপ্রিল মাসেও লকডাউনের মধ্যে তৈরি পোশাক কারখানা খুলে দিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে এমন নির্মম পরিহাস করা হয়েছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা গত বছর থেকে শিক্ষা নেননি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ।

