ঈশ্বরদীতে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাংচুর

সন্ত্রাসী হামলা।

নিজস্ব প্রতিবেদন: ঈশ্বরদীতে রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে স্থানীয় একটি ক্লাব ঘরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। সে সময় ওই ক্লাব ঘরের চেয়ার, টেবিল, ইলেকট্রিক যন্ত্রাংশ ভাংচুর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।

হামলার সময় ছাত্রলীগ কর্মী রোহাত (২০), সামি (১৯) ও রিফাত (২০) বাঁধা দিলে তাদের বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

৭নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাব্বি ও হৃদয় হোসেন জালালের নেতৃত্বে একদল যুবক এসব হামলা ও ভাংচুর করে বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলা সদরের ৭নম্বর ওয়ার্ডের তছেড় পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যদর্শী ও এলাকাবাসী জানায়, বিগত কয়েকটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তছেড় পাড়া এলাকায় স্থানীয় ছাত্রলীগ কর্মীসহ উঠতি বয়সী যুবকেরা একটি ক্লাব ঘর বানিয়ে সেখানে উঠা-বসা করতো। সম্প্রতি রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাব্বির সাথে ওই ক্লাবের সদস্যদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের সুত্র ধরে শুক্রবার দুপুরে রাব্বি আরও কয়েকজন যুবককে সাথে নিয়ে ওই ক্লাব ঘরে ঢুকে ভাংচুর করে। খবর পেয়ে ক্লাবের সদস্যরা সেখানে গিয়ে ঘটনা শুনে রাব্বিকে ডেনে এনে সাশিয়ে ক্ষতিপুরণ দাবি করে। বিকেলের দিকে রাব্বি তার দলবল নিয়ে এসে আবারও হামলা চালায়। সে সময় ছাত্রলীগ কর্মী রোহাত (২০), সামি (১৯) ও রিফাত (২০) বাঁধা দিলে তাদের বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে থানার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ্ আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনটি তদন্ত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন