ঈশ্বরদীতে করোনার টিকা পৌঁছেছে, প্রথম ধাপে পাচ্ছে ৫ হাজার ২২৫ জন

ঈশ্বরদীতে পৌঁছালো করোনার টিকা।

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় প্রথম ধাপে ১০ হাজার ৪৫১ ডোজ করোনার ভ্যাকসিন পৌঁছেছে ঈশ্বরদীত। ৫ হাজার ২২৫ ব্যক্তিকে দুই ডোজ করে এসব টিকা দেওয়া সম্ভব হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বেক্সিমকো ফার্মার একটি ভ্যানে এসব ভ্যাকসিন পৌঁছায় ঈশ্বরদীতে। ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসমা খান। বাক্স খুলে ভ্যাকসিন নিরাপদে আছে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর এসব ভ্যাকসিন উপজেলা ইপিআই স্টোর ভবনে রাখা হয়।

আসমা খান বলেন, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে উপজেলায় প্রথম পর্যায়ের এসব ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হবে। করোনাভাইরাস সংক্রম মোকাবেলায় ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য চিকিৎসক, টিকাদান কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। টিকাদানের জন্য পৌরসভার নির্ধারিত কেন্দ্র ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল এবং সাতটি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে টিকা দেওয়া হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে টিম গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি টিমে ২জন টিকাদান কর্মী ও ৪ জন স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম শামীম জানান, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি থাকায় ১৮ বছরের নিচে ও গর্ভবতী নারীদের এসব টিকা দেওয়া হবে না। করোনা ভ্যাকসিন যারা গ্রহণ করবেন তাদেরকে অবশ্যই সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধিত হতে হবে। নিবন্ধন ছাড়া কেউ ভ্যাকসিন পাবেন না। স্বেচ্ছায় টিকা নিতে ইচ্ছুক এমন সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর করতে হবে। উন্নত বিশ্বের কয়েকটি দেশে এরই মধ্যে করোনা ভ্যাকসিন সফলভাবে প্রয়োগ হয়েছে বলে উল্লেখ করে ডাক্তার শামীম বলেন, করোনা টিকা নিয়ে ভয় ও উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। স্বাস্থ্য সহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দিয়ে থাকলেও অত্যধিক সতর্কতা থেকে আমরা শুরুতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেবো না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিএম ইমরুল কায়েস করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে কোনো ধরনের অপপ্রচার ও গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেউ গুজব ছড়ালে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন