![]() |
| মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনা সভা। |
নিজস্ব প্রতিবেদন: অপ্রয়োজনীয়ভাবে সরকারি অর্থ ব্যয় থেকে বিরত থাকার জন্য প্রকল্প পরিচালক ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
রবিবার (১০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাণিসম্পদ অধিদফতর ও বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।
এ সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ ইমদাদুল হক ও তৌফিকুল আরিফ, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের পরিচালক শেখ আজিজুর রহমান ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকল্প পরিচালকদের কাছ থেকে স্বচ্ছতা, সততা ও নিষ্ঠা প্রত্যাশা করি। প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার পরিচয় দিতে হবে। অপ্রয়োজনীয়ভাবে সরকারি অর্থ ব্যয় থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রকল্পের কাজ পরিপূর্ণভাবে শেষ হওয়া ছাড়া অর্থ পরিশোধ করলে সংশ্লিষ্টদের দায়-দায়িত্ব নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিয়ম লঙ্ঘন করে প্রকল্পের কাজ করার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সরকারি স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে কোনও কিছু করা যাবে না। প্রকল্পের সবটুকু কাজ বুঝে নিতে হবে। দ্রুতগতিতে প্রকল্প গ্রহণ করে শুধু কেনাকেটা না করে, সেটা বাস্তবে দেশের মানুষের কাজে আসছে কিনা, তা লক্ষ্য রাখতে হবে। অর্পিত দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতার পরিচয় দিলে প্রকল্প নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত আলোচনা হবে না।’
মন্ত্রী বলেন, ‘প্রকল্প প্রণয়নে অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করা যাবে না। প্রকল্পে প্রস্তাবিত মূল্য বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকতে হবে। প্রস্তাবে কোনও ধরনের অসঙ্গতি মেনে নেওয়া হবে না। বিশেষ কাউকে সুবিধা দেওয়ার জন্য প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ইচ্ছেমতো শর্ত জুড়ে দেওয়ার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
সভায় ২০২০-২১ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ১৭টি ও বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের ২টি প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

