ঈশ্বরদীর দুই স্কুলে লটারিতে ভর্তি অনুষ্ঠিত

লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী যাচাই অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারি সাঁড়া মাড়োয়ারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজ মাঠ।
নিজস্ব প্রতিবেদন: লটারির মাধ্যমে ষষ্ট শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী যাচাই অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার ১১ জানুয়ারি ঈশ্বরদীর দুই বিদ্যালয়ে অনলাইন ভর্তির লটারি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ১০ টায় ঈশ্বরদী ইক্ষু গবেষণা উচ্চ বিদ্যালয় ও বেলা ১১টায় সরকারি সাঁড়া মাড়োয়ারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজে মাঠে শিক্ষার্থী নির্বাচনের জন্য লটারির মাধ্যমে নাম ঘোষণা করা হয়।

একইসঙ্গে শিক্ষার্থী যাচাইয়ের বিষয়টি বিদ্যালয়ের নিজস্ব ফেসবুক আইডি দিয়ে সরাসরি প্রচার করা হয়। নোটিশ বোর্ডেও টাঙানো হয় নামের তালিকা।

ঈশ্বরদী ইক্ষু গবেষণা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে লটারির কার্যক্রম পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) ড. মো. আমজাদ হোসেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নায়েব আলী বিশ্বাস,  ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: হাসানুজ্জামানসহ পরিচালনা কমিটির সদস্য, অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন।
 
প্রতিষ্ঠান সুত্রে জানা যায়, সাধারণ শাখার জন্য ২৭ ও মুক্তিযোদ্ধা জন্য ৩ জনকে লটারীর মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয়। ভর্তির জন্য ৫৯৪টি ফরম বিক্রি হয়।

এদিকে সরকারি সাঁড়া মাড়োয়ারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজে মাঠে লটারির কার্যক্রম পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভর্তি পরিচালনা কমিটির সভাপতি পিএম ইমরুল কায়েস, সরকারি সাঁড়া মাড়োয়ারী স্কুলের অধ্যক্ষ আয়নুল ইসলাম, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেখ মো: নাসীর উদ্দীন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসমা খানম, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সেলিম আক্তার, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাইয়ুমসহ শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।
লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী যাচাই অনুষ্ঠানে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভর্তি পরিচালনা কমিটির সভাপতি পিএম ইমরুল কায়েস বক্তব্য দেন।
প্রতিষ্ঠান সুত্রে জানা যায়, লটারী পরিচালনা করেন প্রভাষক শহীদুল হক শাহীন ও সফিকুল ইসলাম। 'ক' শাখার জন্য ৬০ জনের মধ্যে ৫৫ জনকে লটারীর মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা, পোষ্য, ও প্রতিবন্ধীর জন্য ৫ জনকে সংরক্ষিত রাখা হয় এবং ১০ জনকে অপেক্ষামান তালিকার রাখা হয়। 'খ' ও 'গ' শাখার জন্য ১১০ জন ছাত্রকে লটারীর মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয়। ১০ জনকে সংরক্ষিত কোটায় রাখা হয়। ভর্তির জন্য ৬১৯টি ফরম বিক্রি হয়। আগামী ১৭ জানুয়ারী থেকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে।

তবে এ পদ্ধতিতে ভর্তির সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে অভিভাবকদের মাঝে। তারা বলছেন, ভালো পড়ালেখা করলেও ভালো স্কুলে ভর্তি হওয়ার নিশ্চয়তা নেই। তাই প্রস্তুতি থাকলেও পছন্দের স্কুলে ভর্তি থেকে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হতে পারে। আবার অনেকে মনে করছেন, এ পদ্ধতিতে ভর্তি নেয়া হলে সমাজে ধনী-গরিবের বৈষম্য কমতে পারে।


স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন