![]() |
| শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় পাবনায় স্যামসন এইচ চৌধুরীর নবম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করে পাবনা প্রেসক্লাব। মঙ্গলবার পাবনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে। ছবি: সংগৃহীত |
সংবাদ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মধ্যদিয়ে দেশবরেণ্য শিল্পোদ্যোক্তা স্কয়ার গ্রুপের প্রয়াত চেয়ারম্যান স্যামসন এইচ চৌধুরীর নবম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার পাবনায় নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সকালে পাবনার বৈকন্ঠপুরের এষ্ট্রাস খামার বাড়িতে স্যামসন এইচ চৌধুরী সমাধিতে শ্রদ্ধা অর্ঘ্য নিবেদন করেন মাতা অনিতা চৌধুরীসহ পরিবারের সদস্যরা। অনুষ্ঠিত হয় ধর্মীয় আচারসহ বিশেষ প্রার্থনা। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় পাবনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ক্লাব অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় স্মরণসভা ।
পাবনা প্রেসক্লাব সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বক্তব্য দেন স্যামসন এইচ চৌধুরীর কনিষ্ট পুত্র ও স্কয়ার গ্রুপের পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামিষ্ট রণেশ মৈত্র, পাবনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সাইফুল আলম স্বপন চৌধুরী, মোটর মালিক গ্রুপের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান হাবিব, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম রবি, সাবেক সম্পাদক আব্দুল মতীন খান, সিনিয়র সহসভাপতি মীর্জা আজাদ, প্রেসক্লাবের সাবেক সম্পাদক আহমেদ উল হক রানা, ও স্বাগত বক্তব্য দেন পাবনা প্রেসক্লাব সম্পাদক সৈকত আফরোজ আসাদ।
সভার শুরুতে প্রয়াত স্যামসন এইচ চৌধুরীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরাবতা পালন করা হয়।
স্যামসন এইচ চৌধুরীর কণিষ্ট পুত্র ও স্কয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু স্মরণসভায় তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমার পিতা শৃংখলা বা নিয়মাবর্তির কথা মুখে বলতেন না। তিনি ছিলেন পরিপূর্ণভাবে একজন ডিসিপ্লিনড মানুষ। একজন সফল, সুখী এবং পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে স্যামসন এইচ চৌধুরীর মৃত্যু হয়েছে। আজকে এই প্রয়াণ দিবসে সবাইকে নিয়ে আমরা তাঁর সফলতা ও সততার গল্পসহ দেশপ্রেমের কথাগুলো শ্রদ্ধার সংগে স্মরণ করছি।
বাবা সম্পর্কে স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু বলেন, স্যামসন এইচ চৌধুরী ছিলেন প্রকৃত দেশপ্রেমিক। দেশের উন্নয়নে, মানুষের উন্নয়নে তিনি সবসময় নতুন নতুন চিন্তা ভাবনা করতেন। তিনি অকাতরে মানুষের সেবা করতেন।
বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী স্যামসন এইচ চৌধুরী ১৯২৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার কাশিয়ানী উপজেলার আড়ুকাকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ভারতে পড়াশুনা শেষ করে ১৯৫২ সালে পাবনার আতাইকুলায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তাঁর দাদা ইয়াকুব হোসেন চৌধুরী ছিলেন একটি ফার্মাসির মেডিকেল অফিসার। বক্তারা স্যামসন এইচ চৌধুরীর অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, স্যামসন এইচ চৌধুরীকে পাবনাবাসী চিরদিন মনে রাখবেন।

