যৌনপীড়ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
যৌনপীড়ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে স্কুলছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার



নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ১০ বছরের এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মো. তহুরুল মোল্লা ওরফে তরি (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের খড়ের দাইড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে ওই দিনই ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গ্রেপ্তার তহুরুল মোল্লা একই এলাকার মো. আয়েজ উদ্দিন মোল্লার ছেলে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় সুতানদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। স্কুলে যাতায়াতের পথে তহুরুল দীর্ঘদিন ধরে তাকে উত্ত্যক্ত করাসহ অশোভন মন্তব্য করে আসছিলেন। শিশুটি বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তের স্বজনদের জানানো হয়। তবে তারা এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো ভুক্তভোগীর পরিবারকে হুমকি দেয়।

রোববার বিকেল সোয়া চারটার দিকে স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফিরছিল ওই শিশু। পথে খড়ের দাইড় এলাকায় তহুরুল তার গতিবিধি রোধ করেন এবং জোরপূর্বক শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়ন চালান। পরে শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে পরিবারকে পুরো ঘটনা জানায়।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান আসাদ বলেন, শিশুর বাবার লিখিত অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই ঘটনায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ঈশ্বরদীতে কার্টুন দেখানোর লোভ দেখিয়ে ৪ বছরের শিশুকে যৌনপীড়ন, থানায় বিক্ষোভ

প্রতীকী ছবি 

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানোর লোভ দেখিয়ে চার বছরের এক শিশুকে বিকৃত যৌনপীড়ন করার অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার উপজেলার সাঁড়া ঝাউদিয়া হারানপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বিল্লাল হোসেন ওই এলাকার একজন চা দোকানি। ঘটনার পর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রাতেই ঈশ্বরদী থানায় গিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলেও নামধারী ওই ব্যক্তি এখনো পলাতক। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটির দাদা প্রায়ই তাকে সঙ্গে নিয়ে বিল্লালের দোকানে চা পান করতে যেতেন। সোমবারও তিনি নাতনিকে নিয়ে সেখানে যান। এ সময় দোকানি বিল্লাল আদর করার ছলে শিশুটিকে নিজের কোলে বসিয়ে মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখতে দেয়। এই সুযোগে সে শিশুটির ওপর যৌনপীড়ন চালায়। শিশুটি চিৎকার করে উঠলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন এবং বিল্লালকে তিরস্কার করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতে তারা ঈশ্বরদী থানায় গিয়ে বিষয়টি জানালেও পুলিশ প্রথমে গড়িমসি করে। এতে উপস্থিত জনতা থানার ভেতরেই বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সোমবার রাতেই শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন।

মঙ্গলবার পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত বিল্লাল পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান আসাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ঈশ্বরদী থানায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন থানায় আসার খবর পেয়েই অভিযুক্ত বিল্লাল পালিয়ে যায়। তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন