নিজস্ব প্রতিবেদক: দাবদাহে পুড়ছে ঈশ্বরদী। উপজেলাজুড়ে চলছে
মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ। শুক্রবার বিকেলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের
ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, আজ চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল
ঈশ্বরদীতে—৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ৪ এপ্রিল ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি
সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল।
আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ বলছে, ঈশ্বরদীর ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বইছে। এটি আরও কয়েক দিন থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে
তাপপ্রবাহে জনমনে অস্বস্তি দেখা গেছে। বাইরে বের হওয়ার সময় অনেকেই ছাতা
নিয়ে বের হচ্ছেন। শ্রমিকদের তীব্র রোদে গামছা মাথায় দিয়ে কাজ করতে দেখা
গেছে। রাস্তাঘাটে লোকজন চলাচল কমে গেছে। দুপুরের আগেই শহর ফাঁকা হয়ে
যাচ্ছে। গরমজনিত রোগবালাই বেড়ে চলেছে।
উপজেলা সদরের রেলগেট এলাকায়
ভ্যানে করে তরমুজ বিক্রি করছিলেন হোসেন আলী। তীব্র গরমে আজ তাঁর তরমুজ
বিক্রি বেড়েছে। প্রতি কেজি তরমুজ তিনি ২০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। হোসেন আলী
বলেন, রোদ ওঠায় তরমুজ বিক্রি বেড়েছে। এমন রোদ থাকলে তরমুজের বিক্রি আরও
বাড়বে। তবে এমন অবস্থায় মানুষের বাইরে বের হওয়াও কঠিন হয়ে পড়বে বলে তিনি
মনে করেন।
আলহাজ্ব মোড় এলাকায় দেখা গেল, রিকশাচালক আমজাদ হোসেন
রিকশায় ছাতা বেঁধেছেন। তিনি বলেন, দুই দিন ধরে প্রচুর রোদ। রোদ থেকে একটু
রেহাই পেতে রিকশায় ছাতা বেঁধে নিয়েছেন।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া
পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক নাজমুল হক বলেন, ঈশ্বরদীতে আজ মৌসুমের
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ঈশ্বরদীর ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু
তাপপ্রবাহ বইছে। এটি আরও দু-এক দিন অব্যাহত থাকবে।
সদর হাসপাতালে মা ও শিশু বিভাগের পরামর্শক আব্দুল বাতেন জানান, গরমের কারণে শিশুরা ব্যাকটেরিয়াল ডায়রিয়া এবং গায়ে ঘাম বসে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে।

