প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া থেকে যোগ দেবেন ১০ হাজার নেতাকর্মী

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাকি আছে আর মাত্র দুইদিন। রোববার রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভায় যাচ্ছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর শেখ অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলের সভাপতি রাজশাহী যাচ্ছেন। চারদিকে সাজসাজ রব আর উৎসবের আমেজ। এরইমধ্যে জনসভার সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। সারা উত্তর বঙ্গের মানুষ এখন অপেক্ষায় রয়েছেন জনসভায় আসার জন্য।

দীর্ঘদিন পর প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নুরুজ্জামান বিশ্বাস এমপি’র নেতৃত্বে ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া উপজেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিদিনই এমপির নেতৃত্বে প্রস্তুতি সভা করছেন দুই উপজেলার ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা।

ঈশ্বরদী উপজেলা আ’লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নায়েব আলী বিশ্বাস, সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ মিন্টু ও আটঘরিয়া উপজেলা আ’ লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম রতন উপজেলার প্রত্যেকটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে নিয়মিত সাধারন সভা করছেন। আ’লীগের পাশাপাশি এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও সাধারন সভার পাশাপাশি ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করেছে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, নুরুজ্জামান বিশ্বাস এমপির নেতৃত্বে ট্রেন, বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেট কারে করে যাবেন নেতাকর্মীরা। সব মিলিয়ে এমপির নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রায় ১০ হাজার নেতা-কর্মীর এই জনসভায় অংশ নেয়ার কথা। এই জনসমুদ্রের একটি অংশ জুড়ো থাকবে ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলা থেকে আসা নেতাকর্মীরা।

পাবনা ৪ আসনের সংসদ সদস্য নূরুজ্জামান বিশ্বাস এমপি বলেন, এবারের জনসভা হবে ঐতিহাসিক। রাজশাহীর এ জনসভায় প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে এক গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবেন। এজন্য শুধু নেতাকর্মীই নয়, সারা দেশের মানুষই অপেক্ষা করছেন বলেও উল্লেখ করেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের এ নেতা।

তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন ভণ্ডুল করতেই বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো একটি অসাংবিধানিক দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে। এজন্য জনগণ আর তাদের এবং তাদের আন্দোলনকে আমলে নিচ্ছে না, পাত্তাও দিচ্ছে না। কারণ সবাই জানেন, নির্বাচন কমিশনের অধীনেই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। আর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারবে না বলেও দাবি করেন এমপি।

২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীর মাদরাসা ময়দানেই জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। এছাড়া ২০১৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর পবার হরিয়ানের জনসভায় হাজির হয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। ২০১৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর বাগমারায় ও ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি চারঘাটে আওয়ামী লীগের জনসভায় যোগ দেন তিনি।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন