![]() |
| রফিকুল ইসলাম রিপন। |
নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে ‘কাঁচা বাদাম’ গানে শিক্ষার্থীদের উদ্যম নাচের ঘটনায় ঈশ্বরদীর মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও অনুষ্ঠানের উপস্থাপক রফিকুল ইসলাম রিপনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিষয়ে তদন্ত করতে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পাবনা জেলা শিক্ষা অফিসার এসএম মোসলেম উদ্দিন। এর আগে গেল ২৩ মার্চ এক আদেশে তাকে বরখাস্ত করা হয়।
এর আগে দেশব্যাপী ভাইরাল বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসের নজরে এলে গত ২১ মার্চ প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়। নোটিশের প্রেক্ষিতে লিখিত জবাব দেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান। ক্ষমা চেয়ে লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, তাঁর অনুপস্থিতে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও সহকারী শিক্ষক মঞ্চে এমন অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটিয়েছেন।
তার লিখিত জবাবের পর পাবনা জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা অফিসারের নির্দেশে গত বুধবার বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম রিপনকে সাময়িক বরখাস্ত করতে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নির্দেশ দেয়া হয়। পরে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
এদিকে সহকারী শিক্ষক রিপনকে বরখাস্ত করা হলেও সুকৌশলে নিজেদের রক্ষা করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান ও পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আশরাফ মহলদার বাবু।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও নোটিশের জবাবে প্রধান শিক্ষক নিজেকে অনুপস্থিত দেখিয়েছেন। অথচ গানটির জন্য তার অনুমতিতেই কয়েকদিন ধরে স্কুলেই ছাত্রীদের অনুশীলন করানো হয়।
জেলা শিক্ষা অফিসার এসএম মোসলেম উদ্দিন জানান, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের মতো এমন স্পর্শকাতর অনুষ্ঠানে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এমন বিষয় সরকারের নজরে আসে। পরে সরকারের নির্দেশে ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। আর প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিষয়ে তদন্ত করতে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে আহ্বায়ক করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুনকে।’
কমিটির সত্যতা নিশ্চিত করে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি চিঠি হাতে পেয়েছি। আগামী রোববার সকালে মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ গ্রহণ করা হবে।’
ঈশ্বরদী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম আকতার জানান, ‘নোটিশের জবাবের পর রিপনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সংশ্লিষ্টর প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। আর প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিষয়েও প্রতিবেদন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে আদেশ পাওয়া যাবে বলেও তিনি আশাবাদী।’
প্রসঙ্গত, গত ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে উপজেলা সলিমপুরের মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ওই অনুষ্ঠানের মঞ্চে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘কাঁচা বাদাম’ ও ‘হিন্দি-বিদেশি গানের’ সঙ্গে নেচে-গেয়ে জন্মদিন পালন করে।
এ সময় বিদ্যালয়ের নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে লাইভ করা হলে তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। বিষয়টি ভাইরাল হওয়ায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সমালোচনার মধ্যে পড়ে। অনেকে ফেসবুকে নানা ধরনের মন্তব্য করেন। পরবর্তীতে স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই পেজটি থেকে ভিডিও ডিলিট করে দেয়। তবে বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে দেশব্যাপী আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
আজ শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পাবনা জেলা শিক্ষা অফিসার এসএম মোসলেম উদ্দিন। এর আগে গেল ২৩ মার্চ এক আদেশে তাকে বরখাস্ত করা হয়।
এর আগে দেশব্যাপী ভাইরাল বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসের নজরে এলে গত ২১ মার্চ প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়। নোটিশের প্রেক্ষিতে লিখিত জবাব দেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান। ক্ষমা চেয়ে লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, তাঁর অনুপস্থিতে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও সহকারী শিক্ষক মঞ্চে এমন অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটিয়েছেন।
তার লিখিত জবাবের পর পাবনা জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা অফিসারের নির্দেশে গত বুধবার বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম রিপনকে সাময়িক বরখাস্ত করতে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নির্দেশ দেয়া হয়। পরে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
এদিকে সহকারী শিক্ষক রিপনকে বরখাস্ত করা হলেও সুকৌশলে নিজেদের রক্ষা করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান ও পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আশরাফ মহলদার বাবু।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও নোটিশের জবাবে প্রধান শিক্ষক নিজেকে অনুপস্থিত দেখিয়েছেন। অথচ গানটির জন্য তার অনুমতিতেই কয়েকদিন ধরে স্কুলেই ছাত্রীদের অনুশীলন করানো হয়।
জেলা শিক্ষা অফিসার এসএম মোসলেম উদ্দিন জানান, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের মতো এমন স্পর্শকাতর অনুষ্ঠানে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এমন বিষয় সরকারের নজরে আসে। পরে সরকারের নির্দেশে ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। আর প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিষয়ে তদন্ত করতে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে আহ্বায়ক করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুনকে।’
কমিটির সত্যতা নিশ্চিত করে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি চিঠি হাতে পেয়েছি। আগামী রোববার সকালে মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ গ্রহণ করা হবে।’
ঈশ্বরদী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম আকতার জানান, ‘নোটিশের জবাবের পর রিপনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সংশ্লিষ্টর প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। আর প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিষয়েও প্রতিবেদন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে আদেশ পাওয়া যাবে বলেও তিনি আশাবাদী।’
প্রসঙ্গত, গত ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে উপজেলা সলিমপুরের মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ওই অনুষ্ঠানের মঞ্চে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘কাঁচা বাদাম’ ও ‘হিন্দি-বিদেশি গানের’ সঙ্গে নেচে-গেয়ে জন্মদিন পালন করে।
এ সময় বিদ্যালয়ের নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে লাইভ করা হলে তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। বিষয়টি ভাইরাল হওয়ায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সমালোচনার মধ্যে পড়ে। অনেকে ফেসবুকে নানা ধরনের মন্তব্য করেন। পরবর্তীতে স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই পেজটি থেকে ভিডিও ডিলিট করে দেয়। তবে বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে দেশব্যাপী আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

