ঈশ্বরদীতে বিকাশ এজেন্টের ৪ লাখ টাকা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৫

বিকাশের লোগো।

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টের টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ শুক্রবার রাতভর অভিযান চালিয়ে পাঁচ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। আজ শনিবার সকালে ঈশ্বরদী থানা চত্বরে সংবাদ সম্মেলনে করে পুলিশ এসব তথ্য জানিয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার নুরুল্লাপুর গ্রামের সুজন আলী (২৮), বুরামপুর গ্রামের রিমেল বিশ্বাস (২০), রায়হান বিশ্বাস (২০), কামালপুর গ্রামের রনি মোল্লা (২০) ও চর রূপপুর গ্রামের লিমন বিশ্বাস (২১)। এর মধ্যে রনি মোল্লার বিরুদ্ধে আগে ছিনতাইয়ের অভিযোগে একটি মামলা আছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ দাবি, এই পাঁচ যুবক ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়নের এমপি মোড়ে তাহনিক ইসলামের কাছ থেকে টাকা ও মুঠোফোন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।

সংবাদ সম্মেলনে ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাদিউল ইসলাম বলেন, উপজেলার এমপি মোড়ে তাহনিক ইসলাম নামের এক ব্যক্তির মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসা আছ। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে তিনি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত ৭টি মুঠোফোন নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন।

দোকান বন্ধ করে কিছু দূর যাওয়ার পরই পাঁচ ছিনতাইকারী তাঁর পথ রোধ করে অস্ত্রের মুখে টাকা ও মুঠোফোনগুলো ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে তাহনিক ইসলামের অভিযোগের ভিত্তিতে রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) আতিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গঠন করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও রাতভর অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এসআই আতিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া টাকা, মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের কাছ থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, একটি গুলি ও একটি হাঁসুয়া পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ছিনতাইয়ের শিকার ব্যক্তি একটি মামলা করেছেন। এ ছাড়া অস্ত্র আইনে আরও একটি মামলা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরেই ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপকর্মে যুক্ত ছিলেন। আজ দুপুরে দুই মামলায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন