১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তার জন্য ভারতীয় শিল্পীরা এগিয়ে আসেন।গান গেয়ে তহবিল সংগ্রহের পাশাপাশি গড়ে তুলেছিলেন বাংলাদেশের জন্য বিশ্বব্যাপী সচেতনতা।
শ্রীমতী লতা মঙ্গেশকর ১৯৭১ সালে অজন্তা শিল্পীগোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁর বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করেন। বিখ্যাত অভিনেতা শ্রী সুনীল দত্তসহ ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্লেনে করে কীভাবে বিভিন্ন স্থানে গান পরিবেশন করতে যেতেন সে কথাও স্মরণ করেন তিনি। https://t.co/EGeNTVVeOV pic.twitter.com/M7tofIGCG6
— India in Bangladesh (@ihcdhaka) September 15, 2019
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র স্থাপনেও অর্থ সাহায্য করেছিলেন তারা। সে সময় লতা মঙ্গেশকর ছাড়াও আশা ভোঁসলে, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, কিশোর কুমার, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, মোহাম্মদ রফি, মান্না দে, সলিল চৌধুরী প্রমুখ শিল্পীরা বাংলাদেশের জন্য সঙ্গীত পরিবেশন করেন।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে গানও গেয়েছিলেন লতা মঙ্গেশকর। ১৯৭২ সালে মমতাজ আলীর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘রক্তাক্ত বাংলা’ নামে চলচ্চিত্রে প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক সলিল চৌধুরী সুরে ‘ও দাদাভাই’ শিরোনামের গান গেয়েছিলেন এই কিংবদন্তী সঙ্গীত শিল্পী। এটিই বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে গাওয়া লতা মঙ্গেশকরের একমাত্র গান।
| বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের সঙ্গে লতা মঙ্গেশকর। |
Namaskar. 1971 Bangladesh mukti yudh samapt hote hi hum Bangladesh gaye the aur Sunil Dutt ji ke group ke saath humne kaafi karyakram kiye,us waqt hum Army ke plane se hi sab jagah jaate the. pic.twitter.com/IAgiVWOAhb
— Lata Mangeshkar (@mangeshkarlata) September 14, 2019
২৭ দিনের লড়াই শেষ করোনার কাছে হেরে গেলেন ভারতীয় উপমহাদেশের সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর। রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮ টা ১২ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। করোনা আক্রান্ত হওয়ায় গত ১১ জানুয়ারি তাকে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। নিউমোনিয়াতেও আক্রান্ত ছিলেন তিনি। প্রথম থেকেই তাকে আইসিইউ-তে রাখা হয়েছিল। ৩০ জানুয়ারি শিল্পীর কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। কিন্তু বয়সজনিত নানা সমস্যার কারণে শেষ পর্যন্ত আর লড়তে পারলেন না তিনি।
