| ২ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ফুরফুরা সিলসিলার বার্ষিক ইসালে সাওয়াব ও ওয়াজ মাহফিল। এ উপলক্ষে স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে মাঠ প্রস্তুতির কাজ। বুধবার দুপুরে তোলা। |
নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলা বিধি নিষেধের কারণে এবছর পাকশীর ঐতিহ্যবাহী ফুরফুরা সিলসিলার বার্ষিক ইসালে সাওয়াব ও ওয়াজ মাহফিল ২ মার্চ শুরু হচ্ছে ।
৩ ও ৪ মার্চ আমন্ত্রিত ওয়ামায়ে কেরামের বয়ানের মধ্য দিয়ে মাহফিল চলবে। আগামী ৫ মার্চ ফজরের নামাজ আদায়ের পর আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে মাহফিলের কার্যক্রম শেষ হবে।
ফুরফুরা মাহফিলের দায়িত্বশীল সুত্রে জানা যায়, প্রতি বছর সাধারণত বাংলা বর্ষপঞ্জী ফাল্গুনের প্রথম বুধবার মুসলমানদের সমাবেশ ঘটে ফুরফুরা দরবারে। কিন্তু মহামারি করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের কারণে এ বছর ছন্দপতন ঘটে এ আয়োজনে।
জানা গেছে, ইসালে সাওয়াব ও ওয়াজ মাহফিল পরিচালনা করবেন ফুরফুরার গদ্দীনশীল পীর মাওলানা আবু বকর আব্দুল হাই মিশকাত সিদ্দিকী আল-কোরাইশি।
মাহফিলে ওয়াজ করবেন হজরত মাওলানা মোস্তফা মাদানী সিদ্দিকী আল কুরাইশী, হজরত মাওলানা আয়াতুল্লাহ সিদ্দিকী আল কুরাইশী, হজরত মাওলানা মোজাহিদসিদ্দিকী আল কুরাইশী, হজরত মাওলানা হাওবান সিদ্দিকী আল কুরাইশী ও হজরত মাওলানা মিফতাহূল জান্নাহ সিদ্দিকী আল কুরাইশী।
এই মাহফিলে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করবেন। ইতিমধ্যে শত শত মুসল্লি মাহফিল ময়দানে সমবেত হয়েছেন।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, ইসালে সাওয়াব মাহফিল সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
উল্লেখ্য যে, ১৯৫২ সালে ঈশ্বরদীর পাকশীতে ফুরফুরার এ মারকাজ প্রতিষ্ঠা করেন শায়খুল ইসলাম আল্লামা আব্দুল হাই সিদ্দিকী (রহ.)। পরবর্তীতে এ মারকাজের হাল ধরেন ফুরফুরার পীর মাওলানা আবুল আনসার মো. আব্দুল কাহহার সিদ্দিকী (রহ.)। সে ধারাবাহিকতা আজও বিদ্যমান।
এ ঈসালে সাওয়াব মাহফিলে যোগদান করতে মুসলিম উম্মাহর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
