ঈশ্বরদী শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারের জায়গা পরিদর্শন

 তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ অন্যরা। ছবি : সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ‘শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার’ স্থাপনের প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শন করেছেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তিনি ঈশ্বরদী- পাবনা সড়কের দাশুড়িয়া ইউনিয়নের তেতুলতলা মোড়ে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের জন্য প্রস্তাবিত জায়গাটি পরিদর্শনে আসেন।

পরিদর্শনকালে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিএম ইমরুল কায়েস, উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার মাসুদ রানা, পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের উপদফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার সৈয়দ আলী জিরু, দাশুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান বকুল সরদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারণ মুরাদ আলী মালিথা, করোনা প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুজ্জমান দোলন বিশ্বাস, পাবনা- ৪ আসনের সাংসদের ব্যক্তিগত সহকারী মো: রাজন আলী মালিথাসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রীর জায়গাটি পরিদর্শনের পর উপস্থিত সংশ্লিষ্টদের কাছে সন্তোষ প্রকাশ করে এটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা করবেন বলে জানান। মন্ত্রী বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানের সংগেও প্রকল্প বিষয়ে কথাবার্তা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ঈশ্বরদীতে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন ত্বরান্বিত ও শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।

‘শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার’ প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের ব্রেইন চাইল্ড উল্লেখ করে পলক বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে একদিকে যেমন বেকারত্ব দূর হবে, একই সাথে ফ্রিল্যান্সিং করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে নিজেরা স্বাবলম্বী হবে এবং দেশের অর্থনীতির ভিত মজবুত করবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১৩ বছরে দেশে ডিজিট অবকাঠামো গড়ে ওঠার কারণে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৩ কোটি ছাড়িয়েছে। এ কারণে মানুষের সময় এবং হয়রানি কমেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জমির পর্চার জন্য মানুষকে এখন জেলা শহরে যেতে হয় না। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে বসেই মানুষ সব সরকারি সেবা পাচ্ছে। ইউডিসি থেকে প্রতিমাসে ৬০ লাখ মানুষ সেবা গ্রহণ করছে বলেও তিনি জানান।

এ বিষয়ে সহকারি প্রোগ্রামার মাসুদ রানা শুক্রবার জানান, স্থানীয় সাংসদ নুরুজ্জামান বিশ্বাসের প্রচেষ্টায় শেখ কামাল আইটি এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টারটি বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। এজন্য দাশুড়িয়ার তেতুলতলায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সাড়ে সাত একর জায়গা প্রস্তাব করা হয়েছে। সওজ জায়গা দিতে সম্মত হয়েছে। জায়গা পাওয়া পরপরই প্রকল্প বাস্তবায়নে অন্যান্য কাজ শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ্য করা যাচ্ছে।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন