![]() |
| আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো: আব্দুর রহমান সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। |
নিজস্ব প্রতিবেদন: আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো: আব্দুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনেক কাঠখড়ি পোড়াতে হয়েছে। তিনি ২১ বার মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে এসেছেন। ঈশ্বরদীতেও তাঁর ট্রেনবহরে গুলিবর্ষণ ও হামলা হয়েছিলেন।
আজ বুধবার দুপুরে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এজন্য তারা বিভিন্ন সময়ে নানা কৌশল গ্রহণ করছে। একসময় তারা বঙ্গবন্ধুর ভাষ্কর্য নিয়ে সারাদেশে তান্ডব চালিয়েছিল। তাদের প্রধান লক্ষ্য শেখ হাসিনার সরকারকে উৎখাত করা।
তিনি বলেন, দেশে সংবিধান মতে নিরপেক্ষভাবে আগামী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনগণ যাদের ম্যান্ডেট দেবে তারা ক্ষমতায় আসবে। কোনো ষড়যন্ত্র হলে আওয়ামী লীগের কর্মীরা ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে।
দীর্ঘ ৮ বছর পর ঈশ্বরদী আলহাজ্ব টেক্সটাইল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত উপজেলা আওয়ামী লীগের এই সম্মলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের প্রথম পর্বে সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নায়েব আলী বিশ্বাস। এর আগে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে সম্মেলন শুরু হয়। জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল রহিম লাল সম্মেলন উদ্বোধন ঘোষণা করেন। সহ-সভাপতি ফরিদুল আলমের সঞ্চালনায় সম্মেলন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন ও প্রধান বক্তা ছিলেন পাবনা-৫ আসনের সাংসদ গোলাম ফারুক প্রিন্স।
শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সাংসদ নুরুজ্জামান বিশ্বাস, শামসুল হক টুকু, মকবুল হোসেন, আহমেদ ফিরোজ কবির, নাদিরা ইয়াসমিন জলি প্রমূখ।
আওয়ামী মৎসজীবী লীগের সিনিয়র যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল আলিম, কেন্দ্রীয় উপকমিটি সদস্য জালাল উদ্দিন তুহিনসহ কেন্দ্র জেলা ও স্থানীয় কমিটির অনেকে এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে কমিটি গঠন নিয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে দুটি পক্ষের পৃথক প্যানেলের প্রচার থাকায় কয়েকদিন ধরে ঈশ্বরদীতে উত্তেজনা চলছিল। এজন্য সম্মেলনে দিন সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়, সম্মেলনের মাঠে প্রচুর সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
সর্বশেষ ২০১৩ সালের ১১ জুন ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। সম্মেলনে আনিসুন্নবী নবী বিশ্বাস সভাপতি ও মকলেছুর রহমান মিন্টু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তবে আনিসুন্নবী বিশ্বাস মারা যাওয়ায় নায়েব আলী বিশ্বাস কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বে পালন করেন।

