![]() |
| শুটিংয়ের দৃশ্য।ছবি সংগৃহীত। |
নিজেস্ব প্রতিবেদন: করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন চলছে। তবে শর্ত সাপেক্ষে শুটিং করার সুযোগ দিয়েছে ছোট পর্দার পরিচালকদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ড।
সংগঠনটির সভাপতি সালাহউদ্দিন লাভলু জানান, যেসব পরিচালক টেলিভিশনের জন্য ঈদের নাটকের শুটিং শেষ করতে পারেননি, কেবল তাঁরাই এই লকডাউনে শুটিং করতে পারবেন। তবে আউটডোরে, অর্থাৎ রাস্তাঘাট, পার্ক, রেস্তোরাঁ কোথাও শুটিং করা যাবে না। শুটিংয়ে অভিনয়শিল্পী ছাড়া বাকি সবার মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি নাটকের পরিচালক, শিল্পী ও কলাকুশলী প্রত্যেকের কাছে টেলিভিশনের ওয়ার্ক অর্ডারের কাগজ থাকতে হবে। এসব শর্তের বাইরে কেউ নাটকের শুটিং করতে পারবেন না।
শুটিং করলে ওই পরিচালক ও কলাকুশলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই নির্মাতা বলেন, ‘ঈদুল ফিতরে লকডাউনের সময় সরকারকে সহযোগিতা করে আমরা কোনো কাজ করিনি। কিন্তু এবার পুরোপুরি বসে থাকতে পারছি না। করোনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নাটকের মানুষের আর্থিক অবস্থা ভালো যাচ্ছে না।
ডিরেক্টরস গিল্ডের নির্দেশনা মেনে লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে উত্তরার চারটি হাউসে ছয়টি ইউনিট ও পুবাইলে তিনটি হাউসে তিনটি ইউনিটের শুটিংয়ের খবর পাওয়া গেছে। উত্তরার লাবণী-৪–এ শুটিং চলছে সময় নামে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের। এর পরিচালক মিজানুর আরিয়ান জানান, ডিরেক্টরস গিল্ডের নির্দেশনা পুরোপুরি মেনেই কাজ করছেন তিনি। ইউনিটে সবাই মাস্ক ব্যবহার করছেন। ইউনিটের সদস্যসংখ্যাও কমানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘জরুরি না হলে দেশের এই পরিস্থিতিতে কাজ করতাম না। কিন্তু টেলিভিশন চ্যানেল থেকে ওয়ার্ক অর্ডার নেওয়া হয়েছে। কাজটি না করতে পারলে চ্যানেলের ঈদের শিডিউলে সমস্যা হবে। তা ছাড়া ঈদের সময় স্বল্প আয়ের কলাকুশলীদের আর্থিক ব্যাপারটাও গুরুত্বপূর্ণ।’
সালাহউদ্দিন লাভলুর ও পাখি তোর যন্ত্রণা নামে সাত পর্বের ধারাবাহিকের শুটিং চলছে পুবাইলের বাদশা ভাই হাউসে। নাটকটির অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘লকডাউনে মুভ করব না বলে দুই দিন আগেই ৩০ জুন আমরা এখানে এসেছি। আজ থেকে শুটিং শুরু করেছি। ডিরেক্টরস গিল্ডের শর্ত মেনেই শুটিং করছি। এ জন্য একেকটি দৃশ্য করতে একটু সময়ও বেশি লাগছে।ধারাবাহিকটিতে আরও অভিনয় করছেন মামুনুর রশীদ, বৃন্দাবন দাস, শাহানাজ খুশি, তানজিকা প্রমুখ। ধারাবাহিকটি ঈদুল আজহায় বাংলাভিশনে প্রচারিত হবে।
তাহসিন সরকার বাঁধন/জেএইচ/এমএস

