
নিজস্ব প্রতিবেদন: ঈশ্বরদীতে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত
অনুষ্ঠিত হয় বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় ঈশ্বরদী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে। এই ঈদ
জামাতে ইমামতি করেন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম ওলিউল্লাহ।
এখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাসহ সাধারণ মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় করেন।
ঈদের
প্রধান জামাতে দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে দেশ ও জাতি ও বিশ্ব মুসলিম
উম্মাহর সুখ-শান্তি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ
সময় দেশ ও জাতির স্বার্থে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য রক্ষার ডাক দেওয়া হয়।
আহ্বান জানানো হয় সন্ত্রাসবাদ পরিহারের। এছাড়া ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে
বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বে চলমান করোনা মহামারি থেকে সবাইকে পরিত্রাণের জন্য
মহান আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানানো হয়।
এছাড়া উপজেলার প্রায় তিন
শতাধিক মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সবাই বাড়ি থেকে ওজু
করে মুখে মাস্ক পড়ে নিজ নিজ জায়নামাজ নিয়ে মসজিদ ও ঈদগাহে গিয়ে ঈদের জামাতে
অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া করোনার কারণে ঈদ জামাত শেষে কোলাকুলি ও হাত মেলোনা
থেকে বিরত থাকেন।
ঈদের নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর
দরবারে প্রয়াত পিতা-মাতা ও স্বজনদের রুহের মাগফেরাত কামনার জন্য বিভিন্ন
গোরস্থানে যান এবং কবর জিয়ারত করেন।
পরে ঈদ জামাত থেকে নিজ নিজ
এলাকায় ফিরে সবাই আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি লাভের আশায় হজরত ইব্রাহিমের
(আ.) ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্মরণ করে সাধ্যমত পশু কোরবানি করছেন।
ঈশ্বরদী
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, ঈদের জামাতকে ঘিরে
এবার কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কাউকে জায়নামাজ ছাড়া কোনো
ব্যাগ, ভারী বস্তু বা অন্য কোনো দ্রব্যাদি বহন করতে দেওয়া হয়নি।
এছাড়া
ঈদুল আজহার নামাজকে ঘিরে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। সঙ্গে মসজিদ ও
ঈদগাহগুলোর আশপাশের এলাকায় সকাল থেকেই পুলিশি টহল বাড়ানো হয়। কিন্তু শেষ
পর্যন্ত কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ঈশ্বরদীতে
শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
